এক দিন আগেও নির্বাচন হবে না
প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০১৪, ২৩:০৬
আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ২০১৯ সালের এক দিন আগেও এদেশে কোন নির্বাচন হবে না। কারণ সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন হয়ে গেছে। দেশে গণতন্ত্র রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচন করেছেন। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন না হলে এ দেশের অবস্থা থাইল্যান্ডের মত হতো, ব্যাহত হত গণতন্ত্র।
গতকাল বুধবার জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৩৯তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে অংশ গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনে দেখা যাবে কে জিতে আর কে হারে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কারণে ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারো ক্ষমতায় আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডা. মাহবু-উর রহমান বাবুর সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার প্রমুখ। বিকালে মোহাম্মদ নাসিম ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
ভাষা সৈনিক আবদুল মতিনের শয্যাপাশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম গতকাল বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ভাষা সৈনিক আবদুল মতিনকে দেখতে যান। সকালে আবদুল মতিনের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। সফল অস্ত্রোপচার শেষে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেখানে ভাষা সৈনিকের শারীরিক অবস্থা ও চিকিত্সার সার্বিক খোঁজ-খবর নেন।
ভাষা সৈনিক মতিনের মস্তিষ্কে সফল অস্ত্রোপচার
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিনের মস্তিষ্কে সফল অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার সকাল সোয়া ১১টায় তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। অপারেশন শেষে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার সকালে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। গত সোমবার দুপুরে স্ট্রোক হওয়ার পর তাকে রাজধানীর সাতমসজিদ রোডের সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।