ফরিদপুরে ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক
সালথা (ফরিদপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০১৪, ২০:৫৩
ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার মাঝারদিয়া ও নগরকান্দা উপজেলার ছাগলদী গ্রামের লোকজনের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। আহতদের মধ্যে ২০ জনকে ফরিদপুর সদর হাসপাতাল ও নগরকান্দা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে উভয় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুই উপজেলার সীমান্তে সালথার মাঝারদিয়া গ্রাম ও নগরকান্দার ছাগলদী গ্রামের মধ্যে মাঝে মাঝেই সংঘর্ষ বাধে। গত বুধবার বিকালে মাঝারদিয়া গ্রাম থেকে দু’টি ফুটবল খেলার গ্রুপ ছাগলদীর হরিনার আমজাত হোসেন কিন্ডার গার্টেন স্কুল মাঠে খেলতে যায়। খেলা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ছাগলদী গ্রামের লোকজন অতর্কিতভাবে মাঝারদিয়ার খেলোয়াড়দের উপর হামলা চালিয়ে মাঠ থেকে বের করে দেয়। এ খবর শুনে বুধবার রাতে মাঝারদিয়া গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ছাগলদী গ্রামের লোকজনের উপর হামলা চালাতে গেলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় উভয় গ্রামের অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়।
গাংনীতে সংঘর্ষে কলেজ ছাত্রসহ ৭ জন আহত
মেহেরপুর প্রতিনিধি জানান, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ষোলটাকা গ্রামে প্রতারক চক্রের প্রধানকে সনাক্ত করায় প্রতারকদের সাথে সংঘর্ষে কলেজ ছাত্র ও নারীসহ ৭ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, গাংনী উপজেলার ফতাইপুর গ্রামের ঠান্টু হোসেনের ছেলে আলামিন হোসেন ও তার ভাই উসমান গনি, তেরাইল গ্রামের মিলন হোসেন ও ভরাট গ্রামের সুলতানের ছেলে মুতালেব হোসেন। অপরদিকে প্রতারক চক্রের প্রধান ষোলটাকা গ্রামের জোয়ার্দ্দারপাড়া এলাকার ফজলুর রহমানের ছেলে আলামিন হোসেন তার স্ত্রী তাসলিমা খাতুন, বোন রাখি, মা নুরজাহান খাতুন। বুধবার রাতে ষোলটাকা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।