দোনেস্ক ও লুহানস্ক দখলে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর অভিযান

ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী তাদের রক্তাক্ত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্রোহীদের দুই মূল ঘাঁটি দোনেস্ক ও লুহানস্ক দখলে তীব্র যুদ্ধ শুরু করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। বুধবার দোনেস্ক অঞ্চলের ৩৪ জন বাসিন্দার নিহত হবার খবর দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। অথচ আগামী সপ্তাহে ইউক্রেন ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বৈঠকে বসবেন।— খবর ডয়চে ভেলের। দোনেস্ক হলো বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দু’টি মূল ঘাঁটির একটি। সরকারি সেনাবাহিনী দোনেস্ক-এর লাগোয়া মাকিয়িভকা শহরটির কাছে মঙ্গলবার সারারাত ধরে যুদ্ধ চালিয়েছে। সেই যুদ্ধে সেনাবাহিনীর নয়জন নিহত হয়েছেন। ইউক্রেনীয় ন্যাশনাল গার্ড পুনরায় যে শহরটি দখল করেছে, সেটি হলো ইলোভায়িস্ক। এই শহরটি দোনেস্ক-এর প্রায় ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে। শহরটি একটি বড় রেলওয়ে জংশন। দোনেস্কে পানি সরবরাহ আবার চালু হয়েছে বলে খবর দিয়েছেন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। দোনেস্ক-এর পর বিদ্রোহীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর হলো লুগানস্ক। বিগত কয়েকদিনে ইউক্রেনীয় সৈন্যরা লুগানস্ক-এর অনেক ভিতরে ঢুকে পড়েছে। প্রায় ৩০০ রুশ ট্রাক প্রচুর পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী নিয়ে এখনও লুগানস্ক সীমান্তের কাছে অপেক্ষা করছে। তাদের ঢুকতে দেয়া হবে কি হবে না, তা নিয়ে এখনও তর্কাতর্কি চলেছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিয়েভ ও মস্কো, উভয়পক্ষই তাদের নিজস্ব অবস্থান জোরদার করার চেষ্টা করছে: রাশিয়ার ‘ত্রাণ সাহায্য’ কিংবা ইউক্রেনের জোরদার সামরিক অভিযানের অর্থই হলো তাই। রাশিয়ার দাবি হলো, পূর্ব ইউক্রেনের যুদ্ধপীড়িত এলাকাকে ‘ডিমিলিটারাইজ’ করো, অর্থাত্ যুদ্ধবর্জিত এলাকায় পরিণত করো। ইউক্রেন চাচ্ছে পোরোশেঙ্কো-পুতিন সাক্ষাতের আগে লুগানস্ক কিংবা দোনেস্ক দখল করতে।