মিসৌরি পুলিশের হাতে দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে মিসৌরির ফার্গুসন শহরে বর্ণবাদ-বিরোধী বিক্ষোভ চলতে থাকার মধ্যে পুলিশের গুলিতে ২৩ বছর বয়সের আরেক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক সেন্ট লুইস এলাকায় নিহত হয়েছে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে নিহত এই তরুণের নাম জানানো হয়নি। খবর দিয়েছে ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’। সেন্ট লুইসের পুলিশ প্রধান স্যাম ডস্টন দাবি করেছেন, একটি ডাকাতির খবর পেয়ে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ছুরি হাতে থাকা ওই তরুণকে অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখেন। তিনি আরও বলেন, কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ওই যুবক তাদের দিকে ধেয়ে আসেন, হাতে থাকা ছুরি বের করে বলতে থাকেন, ‘আমাকে গুলি করো, মেরে ফেল আমাকে’। পুলিশ আরও দাবি করেছে, ওই যুবক পুলিশের কথা না শুনে তাদের দিকে ধেয়ে তিন-চার ফুটের মধ্যে চলে আসে। তখন দু্’জন কর্মকর্তা নাম-না-জানা ওই যুবকের দিকে গুলি ছোঁড়েন। ঘটনাস্থলেই যুবককে মৃত ঘোষণা করা হয়। গুলিবর্ষণকারী কর্মকর্তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে দু্ই কর্মকর্তাকেই বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে। ২৩ বছরের এই যুবক এমন সময় পুলিশের গুলিতে মারা গেলেন যখন মাইকেল ব্রাউনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে আছে। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল এরিক হোল্ডারের এইদিনই ফার্গুসনে ব্রাউনের মৃত্যুর তদন্তকারীদের সঙ্গে দেখা করার কথা রয়েছে। এদিকে নিহত কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ মিশেল ব্রাউনের পরিবারের সাথে দেখা করলেন যুক্তরাষ্ট্রের এটর্নী জেনারেল এরিক হোল্ডার। গত সপ্তাহে মিসৌরির ফার্গুসনে পুলিশের গুলিতে ঐ তরুণ নিহত হয়। এর আগে এটর্নী জেনারেল হোল্ডার সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে সাক্ষাত্ করেন। এরপর ফার্গুসন শহরের স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। এছাড়া এ হত্যা ঘটনার একটি ‘পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন’ তদন্ত করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।