আধিপত্যের জেরে গুলিবিদ্ধ সাহিদ
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০১৪, ২২:০২
দলীয় কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার এবং মাদক ব্যবসায় বাধা দেয়ার কারণে সন্ত্রাসীরা সূত্রাপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সাহিদকে গুলি করতে পারে বলে ধারণা করছে স্থানীয়রা। অপরদিকে স্থানীয় আধিপত্য এবং পূর্ব শত্রুতার বিষয়গুলো মাথায় রেখে ঘটনার হামলাকারীদের খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ। তবে বুধবার রাত পর্যন্ত ওই গুলির ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে কাগুজিটোলায় নিজ বাসার সামনে হাতে ও পাঁজরে গুলিবিদ্ধ হন মোহাম্মদ সাহিদ। এরপর থেকে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিত্সাধীন রয়েছেন। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন তিনি এখনও পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হাজী সাহিদ সরাসরি বিভিন্ন ঘটনায় না থাকলেও তার কথা ছাড়া সূত্রাপুরে কোনো কিছু হয় না। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় তার একচ্ছত্র প্রভাব রয়েছে এজন্য তার সমান্তরাল একটি গ্রুপও গড়ে উঠেছে। অনেকে আওয়ামী লীগ না করেও অর্থ ও বিভিন্ন নেতার আশীর্বাদে তার প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছেন। ওই গ্রুপটিও তাকে গুলি করতে পারে। তাছাড়া সাহিদ সূত্রাপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হলেও দলটির সর্বশেষ থানা সম্মেলনে সভাপতি প্রার্থী হন। এ নিয়ে দলীয় কোন্দলের সৃষ্টি হয়। এ কারণে দলের কেন্দ্র থেকে সভাপতি পদের ঘোষণা দেয়া হয়নি। অপরদিকে সভাপতির পদ ঠেকাতেই হয়তো কেউ তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিল বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। এদিকে বেশ কিছুদিন আগে স্থানীয় সুইপার কলোনিতে মাদক ব্যবসায়ীদের বাধা দেন তিনি। এজন্যও তাকে গুলি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্রাপুর থানার ওসি খলিলুর রহমান জানান, আওয়ামী লীগ নেতা সাহিদকে কারা গুলি করে হত্যাচেষ্টা চালিয়েছিল সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাছাড়া ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। তবে পুলিশ দলীয় কোনো কোন্দল ছিল কি না, স্থানীয় আধিপত্য এবং পূর্ব শত্রুতার বিষয়গুলো মাথায় রেখে ঘটনার হামলাকারীদের খুঁজছে।