তরুণ প্রজন্ম জানা-অজানা সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে
প্রকাশ : ২১ আগস্ট ২০১৪, ২২:৫২
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনার দেশ। এখানে জানা অজানা অনেক সুযোগ আছে। তরুণ প্রজন্ম এসব সুযোগকে কাজে লাগাচ্ছে। তিনি বলেন, একসময় আমরা যা কল্পনাও করতে পারিনি, নতুন প্রজন্ম এখন তা করে দেখাচ্ছে। প্রতিদিনই তারা সম্ভাবনা বা চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলা করে এগিয়ে যাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক বনসাই প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এসব কথা বলেন। ধানমন্ডির ডব্লিউ. ভি. এ. মিলনায়তনে রেডিয়েন্ট বনসাই সোসাইটির এটি ছিলো ৬ষ্ঠ প্রদর্শনী।
আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, অনেকে বাংলাদেশের নেতিবাচক সমালোচনা করেন। কিন্তু এখানে যে সম্ভাবনা বা অর্জন রয়েছে সেসব কথা অনেকেই বলেন না। আজকের প্রজন্ম আমাদের সামনে ব্যবসার নতুন নতুন আইডিয়া হাজির করছে। যেটা আমরা একসময় কল্পনাও করতে পারিনি। তিনি বলেন, অনেকে যানজটের সমালোচনা করে। কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে বাঙালিদের এত গাড়িও আসতো না। তথ্যপ্রযুক্তির সুযোগ নিয়ে তরুণ উদ্যোক্তারা নতুন নতুন ব্যবসার দিকে মনোনিবেশ করছে। তারা ব্যবসার বিকেন্দ্রীকরণ করছে।
বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে গাছের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, সুন্দরবন আমাদেরকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে দিচ্ছে। গাছ না থাকলে উপকূলে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি বেশি হতো। এক্ষেত্রে তিনি উল্লেখ করেন, সমুদ্রে অরেকটি নতুন বাংলাদেশ জেগে উঠছে। তাতে সরকার প্রচুর গাছ লাগানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। বনসাই প্রদর্শনীর ব্যাপারে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, একসময় জাপানীরা এটি শুরু করলেও এখন আমাদের দেশেও তা জনপ্রিয় হচ্ছে। তিনি এ ধরনের প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ইফাদ গ্রুপের চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ টিপু বলেন, প্রচুর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে একটি গাছকে বনসাইয়ে রূপান্তর করা যায়। এ শিল্প থেকে মানুষ নিজের জীবনে একাগ্রতা শিখতে পারে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে রেডিয়েন্ট বনসাই সোসাইটির সভাপতি গুলশান নাসরীন চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত চলবে।