ক্যারিবীয়দের দাপুটে শুরু

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে মারকুটে ব্যাটসম্যান, সবচেয়ে পেশাদার ব্যাটসম্যান মনে করা হয় ক্রিস গেইলকে। কিন্তু ২০০৬ সালের পর থেকে বাংলাদেশের বিপক্ষে সবসময়ই বোতলবন্দী হয়ে থেকেছেন এই দাপুটে ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যান। অবশেষে আট বছর পর বাংলাদেশের বিপক্ষে পঁঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেললেন গেইল। আর গেইলের এই ফেরার দিনে দাপুটে ভাবেই ব্যাটিং সূচনা করলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ম্যাচে জয়ের ফলে সিরিজে এগিয়ে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ টসে হেরে কাল আগে ব্যাট করতে নেমেছে। বাংলাদেশি পেসারদের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ভালোমতোই ম্যাচে ফিরে এসেছিল তারা। অবশ্য দুই মারকুটে ব্যাটসম্যান গেইল ও ব্র্যাভো ফিফটি করে ফিরে যাওয়ার পর বাংলাদেশি বোলাররা একটু চেপে ধরেছেন ক্যারিবীয়দের। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩৮ ওভারে ১৫৯ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩ উইকেট হারিয়ে। অথচ ম্যাচের শুরুটা আরও একবার স্বপ্নের মতো ছিল বাংলাদেশের জন্য। দুই পেসার মাশরাফি বিন মুর্তজা ও আল আমিন হোসেন দু’প্রান্ত থেকে চেপে ধরেছিলেন ক্যারিবীয়দের। মাশরাফির কৃপন বোলিংয়ের পাশাপাশি আল আমিন একেবারে ত্রাস ছিলেন। প্রথম ৪ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১ উইকেট হারিয়ে ৬টি মাত্র রান তুলতে পেরেছিল। কির্ক এডওয়ার্ডসকে আউট করা আল আমিনের ওই সময় পর্যন্ত বোলিং বিশ্লেষণ: ২-১-১-১! কিন্তু এরপরই গেইল তার স্বরূপে ফিরতে শুরু করেন। মাশরাফিকে বাউন্ডারি মেরে শুরু। এরপরের ওভারে আল আমিনকেই ছক্কা ও চার। অবস্থা খারাপ দেখে ‘গেইল ঘাতক’ সোহাগ গাজীকে ডাকা হল; এবার গাজীও মুক্তি পেলেন না। শেষ পর্যন্ত অবশ্য মাহমুদউল্লাহর বলে গেইলের তুলে দেয়া ক্যাচ ধরে গাজীই এক অর্থে ফিরিয়েছেন গেইলকে। কিন্তু ততক্ষণে ৬৭ বলে ৫৮ রান করা গেইল শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে গেছেন ক্যারিবীয়দের। বাংলাদেশ গতকাল তিন পেসার তত্ত্ব থেকে সরে এসে একাদশের বাইরে রেখেছিল তাসকিন আহমেদকে। তার বদলে খেলায় ফিরেছিলেন বাহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক। কিন্তু নতুন বলে বল করে অভ্যস্থ রাজ্জাককে ২৩তম ওভারের আগে আক্রমণে না আনার ব্যাখ্যাটা অবশ্য পরিষ্কার না।