'রুশ হামলায়' শিশুসহ মারা গেলেন সেই গর্ভবতী নারী    

প্রসূতি হাসপাতালে সন্তান জন্মদানের জন্য ভর্তি ছিলেন। কিন্তু সেখানেও হামলা চালায় রুশ বাহিনী। অবশেষে সেই গর্ববতী নারী শিশুসহ মারা গেছেন। বার্তা সংস্থা এপি'র প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 

ওই হাসপাতালে হামলার পর গর্ভবতী ওই নারীকে স্ট্রেচারে করে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়ার ছবি বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে।

গত বুধবার মারিউপোলে এক হাসপাতালে বোমা হামলা চালায় রুশ বাহিনী। এর পর ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায় উদ্ধারকারীরা ওই গর্ভবতী নারীকে ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় ওই নারীর রক্তাক্ত তলপেট দেখা গেছে।   

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই নারীকে কাছেই আরেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে বাঁচানোর জন্য চেষ্টা চালিয়ে যান। 

চিকিৎসকেরা বলেন, যখন ওই নারী বুঝতে পারেন তারা পেটের সন্তান আর বেঁচে নেই তখন চিৎকার করে কেঁদে বলেন, আমাকে এখন মেরে ফেলুন। 

তৈমুর মারিন নামে এক সার্জন জানান, তিনি ওই নারীর পেলভিস চূর্ণ এবং নিতম্ব বিচ্ছিন্ন অবস্থায় দেখতে পান। চিকিত্সকরা সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটিকে প্রসব করান। কিন্তু দেখা যায়, শিশুটি আর বেঁচে নেই।  

মারিন বলেন, এরপর তারা ওই নারীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। তবে শেষমেষ কাউকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান।