পাকিস্তানে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং মিয়ানমারের আরোপিত নতুন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে, কিছু চীনা কোম্পানি তাদের সম্পূর্ণ বিনিয়োগ এবং কার্যক্রম পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে চায়। ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল ইকুইপমেন্ট, টেক্সটাইল এবং অ্যাপারেল প্রসেসিং সহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানি ও বিতরণে আগ্রহ রয়েছে এমন চীনা কোম্পানিগুলি এই পদক্ষেপ নিতে ইচ্ছুক।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই এক প্রতিবেদনে জানায়, তারা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করার পাশাপাশি ৪টি অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানা যায়। এছাড়াও চীনের কোম্পানির প্রতিনিধিদের একটি দল সমীক্ষার জন্য বাংলাদেশ সফর করবে এবং বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা স্থাপনের জন্য এর অপারেশন পরিকল্পনা তৈরি করবে।
গত বছরের ১৪ জুলাই একটি সন্ত্রাসী হামলায় ৩৬ জন চীনা নাগরিক নিহত হন। এতে আহত হয়েছেন আরও ২৬ জন। এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করা হয়। তাই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই তিক্ততা দূর করার জন্য বেইজিংকে বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে ইসলামাবাদের যা পাকিস্তানি মুদ্রায় বিলিয়ন রূপিরও বেশি।
এর আগে পাকিস্তান সরকারের দেওয়া চারটি প্যাকেজের মধ্যে একটিকে বেছে নিয়েছিল দেশটির মন্ত্রীসভা। যার পরিমাণ ছিল ৪ দশমিক ৬ মার্কিন ডলার থেকে ২০ দশমিক ৩ মার্কিন ডলার পর্যন্ত।
অন্যদিকে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহিস্তান জেলার দাসুতে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্ষতিপূরণ কৌশলগতভাবে চীন পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) আওতায় পড়ে না। যদিও সেখানে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চীনের প্রতিষ্ঠান গেজুবা ৪ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট দাসু জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করছে।