আজও বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমে ২০ কিলোমিটার যানজট

টানা কয়েক দিন ধরে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানজটে নাকাল হয়ে পড়েছে উত্তরবঙ্গবাসী। আজও শুক্রবার (১৮ মার্চ) সয়দাবাদ থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার সড়কে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। মাঝে মধ্যে এ যানজট ধীরগতিতে রূপ নিচ্ছে।

জানা যায়, মহাসড়কে চার লেন নির্মাণ ও নলকা সেতুর সংস্কার কাজ চলমান থাকায় গত মঙ্গলবার ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। দিনভর যানজট ও ধীরগতি থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে এ মহাসড়কের যানজট কিছুটা স্বাভাবিক হয়। পরে বুধবার ভোর থেকে আবারও বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিমে যানবাহনে ধীরগতি ও যানজটের সৃষ্টি হয়। রাতভর যানজটের কারণে বিভিন্ন যানবাহন সিরাজগঞ্জ শহরের ভিতর ও কয়েকটি আঞ্চলিক সড়ক ব্যবহার করে। এতে বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শুক্রবার সকালেও স্বাভাবিক হয়নি এ মহাসড়কের যানজট। টানা কয়েক দিনের যানজটে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রী, চালক ও পণ্য ব্যবসায়ীরা।

জয়পুরহাট থেকে ঢাকাগামী ট্রাক চালক মনির হোসেন জানান, বগুড়া থেকে কাঁচা পণ্য নিয়ে ট্রাক ছাড়ার পর হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকে সড়কে ধীরগতি ও যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। সড়কেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যাচ্ছে। কাঁচা পণ্য নিয়ে কখন ঢাকায় পৌঁছবো কিছুই বুঝতে পারছি না।

ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী সোনারতরী এক্সপ্রেসের যাত্রী ইয়াকুব আলী জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু অতিক্রম করে কিছুটা পথ আসার পর থেকে যানজটে পড়ে আছি। ১০ মিনিটের সড়ক অতিক্রম করতে লাগছে দুই ঘণ্টা। কখন বাড়ী পৌঁছবো তার ঠিক নেই।

কামারখন্দ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার শাহীনুর কবীর জানান, মহাসড়কে চার লেন নির্মাণ ও নলকা সেতুর সংস্কার কাজ চলমান থাকায় এক লেন দিয়েই ঢাকাগা ও উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন চলাচল করছে। এতে সয়দাবাদ থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত উভয় লেনে মাঝেমধ্যে এক লেনে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ যানজট কখনো ধীরগতিতে রূপ নিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে নলকা সেতুর কাজ কিছুটা সম্পন্ন হলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে। তবে যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে।