দশমিনায় ভবনসংকটে কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ

ভবন না থাকায় দশমিনা উপজেলার হাজির হাট কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে আছে। এতে ঐ এলাকার প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। 

সংশ্লিষ্ট ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী হাজির হাট কমিউনিটি ক্লিনিক ভবন ২০০০ সালে নির্মিত হয়। এরপর ভবনটির জানালা-দরজা ভেঙে পলেস্তারা খসে পড়ে বিভিন্ন স্থানে ফাটলের সৃষ্টি হয়। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে ভবনের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে ওষুধ ও ক্লিনিকের সরঞ্জাম নষ্ট হয়ে যায়। ২০১৭ সালে জেলা সিভিল সার্জন ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার পরে বছরখানেক ১ হাজার ৫০০ টাকা ভাড়ায় একটি ঘরে ক্লিনিকের কার্যক্রম কোনো রকম চালিয়ে রাখা গেলেও ভাড়া পরিশোধ না করায় সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে ঐ ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় হাজির হাট, গোলখালী, চরহাদী ও ঢনঢনিয়া গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। 

ক্লিনিকের সিএইচসিপি মো. রাকিবুল হাসান রকি জানান, ক্লিনিকটি বন্ধ থাকায় ঐ এলাকার মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত, বিষয়টি আমার খারাপ লাগে। আপাতত করোনা মহামারির কারণে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সংযুক্তিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। ঐ এলাকায় একটি সাইক্লোন সেল্টার আছে। যদি আমাকে ক্লিনিকের জন্য একটি রুম দেওয়া হয়, তাহলে ক্লিনিকের কার্যক্রম চলমান রাখা যেত। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন ভবনের জন্য আবেদন করেছি। 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্ত ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কমিউনিটি ক্লিনিকের পুরাতন ভবনটি তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনের কবলে পড়ার আশঙ্কায় একই স্থানে নতুন ভবন নির্মাণ করা ঠিক হবে না। তাই নতুন করে জমিদাতা খোঁজা হচ্ছে। জমিদাতা পাওয়া গেলেই নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হবে।