সড়কপথে যাতায়াতে দ্বিগুণ সময় ও অর্থ ব্যয়

মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

শীতলক্ষ্যা নদীতে লঞ্চ ডুবির কারণে মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ নৌরুটে লঞ্চ চলাচল গত রবিবার রাত থেকে বন্ধ থাকায় যাত্রীরা পড়েছে ভোগান্তিতে। মুক্তারপুর সেতু হয়ে ঘুরে সড়কপথে যাতায়াতে যাত্রীদের সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে বেশি। এছাড়া মুক্তারপুর-নারায়ণগঞ্জ সড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে মুন্সীগঞ্জ-নারায়ণগঞ্জ নৌ-রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় রবিবার রাত থেকেই অনির্দিষ্টকালের জন্য লঞ্চ চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিএ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছে এ নৌ-রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা। মুক্তারপুর ব্রিজ দিয়ে ঘুরে ভেঙে ভেঙে চলাচল করতে প্রায় দ্বিগুণ সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। লঞ্চে চলাচল করা প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী এখন সড়কপথে চলাচল করার কারণে সড়কপথে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এ রুটে চলাচলকারী ২৪টি লঞ্চ বন্ধ থাকায় লঞ্চের শতাধিক স্টাফ বেকার হয়ে পড়েছে। মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে তারা।

এ নৌ রুটে চলাচলকারী যাত্রী শহরের দেওভোগ এলাকার আমির হোসেন বলেন, লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মুন্সীগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জ যেতে সময় লাগছে প্রায় দেড় ঘণ্টা। আর লঞ্চে সময় ব্যয় হতো ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট। আর লঞ্চে ভাড়া ছিল ৩০ টাকা। এখন অটো রিকশায় মুন্সীগঞ্জ থেকে নারায়ণগঞ্জে যেতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা ব্যয় হয়। তাই ফিটনেস ঠিক থাকা লঞ্চ এ রুটে দ্রুত চালু করার দাবি করেন। এমএল বিপ্লব লঞ্চের ক্লার্ক ও এমএল সায়মা লঞ্চের সুকানি (মাস্টার) মনিরুজ্জামান বলেন, এ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা এখন খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছি।

বিআইডব্লিউটিএর ট্রাফিক পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সীগঞ্জগামী সব লঞ্চ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে বিআইডব্লিউটিএ মুন্সীগঞ্জ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর রাজিব চন্দ্র রায় বলেন।