জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (জবিসাস) আয়োজনে সাংবাদিকতা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই শতাধিক শিক্ষার্থী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
শুক্রবার (২৫ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রবিউল আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আহসান জোবায়েরের সঞ্চালনায় প্রশিক্ষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মো. মিনহাজ উদ্দিন রাহাত, অনুসন্ধানী সাংবাদিক বদরুদ্দোজা বাবু, এএফপির ব্যুরো চিফ শফিকুল আলম, স্পাইস টিভির প্রতিবেদক আজাহারুজ্জান লিমন এবং প্রথম আলোর প্রতিবেদক ফয়জুল্লাহ ওয়াসিফ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতায় হাতেখড়ি হয়েছে। সাংবাদিকদের কাজ হলো সত্যকে উন্মোচন করা। এখনকার সময়ে প্রকৃত সাংবাদিক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এরকম প্রশিক্ষণের অনেক গুরুত্ব আছে। কারণ সাংবাদিকতা শিখতে হলে বুনিয়াদি কর্মশালা অবশ্যই করতে হবে। যারা সত্যিকার অর্থে এই পেশা বেছে নিতে চায় তাদের এই প্রশিক্ষণ কাজে দিবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের স্বার্থে আমরা যদি কখনো কোন কাজ করি যা আমাদের করা উচিত নয়— সাংবাদিকরা অবশ্যই তা তুলে ধরে আমাদের সতর্ক করবেন। এর মাধ্যমেই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমরা এগিয়ে যাব।
কর্মশালায় প্রশিক্ষকরা সাংবাদিকতার প্রাথমিক ধারণা, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা, টিভি সাংবাদিকতা ও ফিচার সহ বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, সহকারী প্রক্টর সহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
জবিসাস সভাপতি রবিউল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতার ব্যাপারে ধারণা দেওয়ার জন্য আমাদের এই আয়োজন। দিনব্যাপী চলা এই আয়োজনে সিনিয়র সাংবাদিকেরা নবীন শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অনেকেই হয়তো সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নেবে।
সাধারণ সম্পাদক আহসান জোবায়ের বলেন, নবীন শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতা সম্পর্কে জানানোর জন্য ও সাংবাদিকতায় উদ্বুদ্ধ করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির এই আয়োজন। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা সাংবাদিকতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কিছু জানবে এবং সকলের অধিকার আদায়ের কথা বলবে। সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি নীতিনির্ধারকের ভূমিকা পালন করে।