ঝিনাইদহে মুক্তিযুদ্ধের পাঁচ ঐতিহাসিক স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ

ঝিনাইদহে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণ প্রকল্পের অধীন পাঁচটি স্থানে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ও গণপূর্ত অধিদপ্তর এগুলো নির্মাণ করছে। 

পাঁচটি স্মৃতিস্তম্ভের মধ্যে ঝিনাইদহের শৈলকুপার গাড়াগঞ্জে কুমার নদের বড়দা ব্রিজের পাশে বিজয়ের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণকাজ চলছে। শৈলকুপা উপজেলার বসন্তপুরে গণহত্যা চালায় পাক সেনা। এ স্হানেও স্মৃতিস্তম্ভ হচ্ছে। ’৭১-এর ১৪ এপ্রিল ঝিনাইদহের বিষয়খালীতে পাক সেনাদের সঙ্গে মুখোমুখি যুদ্ধ হয় ছাত্র-জনতার। এতে শহিদ হন বেশ কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে এখানে একটি স্মৃতিফলক নির্মিত হচ্ছে। 

ঝিনাইদহের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মনোয়ার হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে বসন্তপুরের স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়েছে। বাকি দুটি নির্মাণাধীন আছে। অপরদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তর ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে শৈলকুপা উপজেলার কামান্না গ্রামে ২৭ শহিদ মুক্তিযোদ্ধার গণকবরে ও আবাইপুরে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের গণকবরে দুটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেছে। ’৭১-এর ২৬ নভেম্বর ভোরে কামান্নায় পাক বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে ২৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদত বরণ করেন। আর আবাইপুর যুদ্ধে শাহাদত বরণ করেন ৪১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা।