ভাঙাচোরা লোহালক্কড়ও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন আগেও ভাঙাচোরা লোহালক্কড় লোকে ফেলে দিত। টোকাইরা কুড়িয়ে নিয়ে ভাঙাড়ির দোকানে বিক্রি করতও। বর্তমানে ফেরিওয়ালারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে চড়া দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
ভাঙাড়ি ফরিয়া রাম সাহা জানান, এক বছর আগেও এক কেজি ভাঙাড়ি লোহালক্কড় সাত থেকে আট টাকা দরে গৃহস্থের বাড়ি থেকে কেনা হতো। এখন দাম অনেক চড়ে গেছে। বর্তমানে ৪০ টাকা কেজি দরে কেনাবেচা চলছে। তারা ব্যবসায়ীদের কাছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে। তিনি জানান, এসব ভাঙাড়ির চাহিদা প্রচুর।
ঝিনাইদহ শহরের ভাঙাড়ি লোহালক্কড় ব্যবসায়ী মো. সুমন জানান, আগের দিনে ভাঙাড়ি লোহালক্কড়ের চাহিদা ছিল না। বাদাম ভাজা ও লবণের বিনিময়ে ফেরিওয়ালারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে কিনে আনত। এখন চাহিদা বেড়ে গেছে। বর্তমানে ৪৮ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে তারা ফড়িয়াদের কাছ থেকে কিনছে।
তিনি জানান, জেলার বিভিন্ন স্থানে শখানেক ছোট বড় ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী আছে। তারা কিনে মজুত করে। তারপর ট্রাকযোগে ঢাকা ও চট্টগ্রামের রি-রোলিং মিলগুলোর কাছে বিক্রি করে। এগুলো থেকে ফের ব্রড তৈরি করা হয়ে থাকে।