এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ম্যাচের মধ্যে এটি একটি। তাইতো ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এদিকেই ছিল। একদল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ডিপেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ও আরেকদল লা লিগার ডিপেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। এর বাইরেও ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওয়ালা এবং আতলেটিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমিওনের ভিন্নধর্মী দর্শনও দেখার মতো।
তবে শেষ পর্যন্ত জয় সিটির হয়েছে। জিতে গেছেন গার্দিওয়ালা। যদিও তা কেবল ১-০ ব্যবধানে। আবার মাদ্রিদের দলটির সমর্থকরাও খুব একটা হতাশ হচ্ছেন না। কারণ, আগামী সপ্তাহে ফিরতি লেগ তাদের মাঠে যে! ওই ম্যাচ জিতলেই আতলেটিকো সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। আর যদি ড্র হয় অথবা সিটি জিতে, তাহলে তারা সেমিতে যাবে।
মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে নিজেদের মাঠে প্রথম লেগে আতলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে মুখোমুখি হয় ম্যানচেস্টার সিটি। এতে ১-০ ব্যবধানে জয় পেয়েছে গার্দিওয়ালার শীষ্যরা। তবে জয় পাওয়া অতটা সহজ ছিল না। একেতো শুরুর একাদশে কোনো ফরোয়ার্ড রাখেননি গার্দিওয়ালা। তার ওপর আতলেটিকো খেলেছে রক্ষণাত্মক কৌশলে। এতটাই রক্ষণাত্মক যে, মাঝেমধ্যে দলটির ১১ জন খেলোয়াড়ই নিজেদের সীমানার ভেতরে খেলেছে। গোল করার কোনো পরিকল্পনা তাদের আছে বলে মনে হয়নি। পুরো ম্যাচে সিটির গোলপোস্টে একটাও শট নিতে পারেনি সিমিওনের শীষ্যরা।
৭০ মিনিটের দিকে সিটির হয়ে একমাত্র গোলটি করেন বেলজিয়ান মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনা। তার আগে মাহরেজকে উঠিয়ে দিয়ে তার জায়গায় ইংলিশ মিডফিল্ডার ফিল ফোডেনকে মাঠে নামান গার্দিওয়ালা। অন্যদিকে, আতলেতিকোর রক্ষণভাগও আস্তে আস্তে হাঁপিয়ে উঠছিল। সেই সুযোগে ডি ব্রুইনাকে রক্ষণচেরা পাস দেন ফোডেন। আর তা মুহূর্তের মধ্যেই জালে পাঠিয়ে দেন বেলজিয়ান তারকা।