ডোমারে স্বস্তি ফিরেছে কাঁচাবাজারে

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অধিকাংশ সবজির দাম কমেছে। সেই সাথে মুরগির দাম কমলেও বেড়েছে গরুর মাংসের দাম। মাছের দাম স্থিতিশীল রয়েছে। রমজান মাসে জিনিস পত্রের দামে স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে।   

কাঁচামাল ব্যবসায়ী কালাম ইসলাম জানান, সব ধরনের কাঁচামালে দাম কমেছে। রমজানের আগে যে আলু ১৫ টাকা কেজি দাম ছিল। ওই আলু এখন ১২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০ টাকা কেজির মোটা বেগুন ৪০ টাকা, ৩০ টাকা চিকন বেগুন ২৫ টাকা, ৫০ টাকার শসা ৩০ টাকা, ৬০ টাকার পটল ৫০ টাকা, ৩০ টাকার পিয়াজ ২৫ টাকা, ৬০ টাকার করল্লা ৫০ টাকা, ৮০ টাকার সজনা ৬০ টাকা ও ৩০ টাকার এক হালি লেবু ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

মুরগী ব্যবসায়ী হালিম ইসলাম জানান, রমজানের আগে সোনালী মুরগী ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো। এখন তা ২৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রয়লার মুরগী ১৫০ টাকা কেজি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।   

মশলা ব্যবসায়ী শামিম ইসলাম জানান, সকল মশলা আগের দামেই আছে। শুধু জিরার দাম বেড়ে গেছে। ৩০ টাকায় একশ গ্রাম জিরা এখন ৪০ টাকা। হয়তো জিরার দাম আরো বেড়ে যাবে। 

আজিম ইসলাম নামে এক ক্রেতা জানান, প্রতি বছর রমজান মাসে সব জিনিসের দাম বেড়ে যায়। যদিও বর্তমান বাজার দরে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। তারপরও এবার রমজানে কিছুটা দাম কমায়, স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ মানুষের মাঝে।  

ওলিয়ার রহমান নামের আরেক ক্রেতা জানান, বেশ কিছু জিনিসের দাম কমলেও গরুর মাংসের দাম দিন দিন বাড়ছেই। সাড়ে পাঁচশ টাকার গরুর মাংস ছয়শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাসে গরুর মাংস কেনা মুশকিল হয়ে পড়েছে।