আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের অগ্রগতিতে হতাশ রেলমন্ত্রী

রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ প্রকল্পটি ভারতের আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটি উদ্বোধন করেছেন। এটি উভয় দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু  আমরা দুই দেশই হতাশ। ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে যদি আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ কাজ থেমে যায় তাহলে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ এনে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করবো।

বৃহস্পতিবার সকালে আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলেছে, আগামী জুনের মধ্যে রেলট্রেক বসানোর কাজ শেষ করতে পারবে। সিগন্যালিং, স্টেশন বিল্ডিংসহ অন্যান্য  কাজ শেষ করতে হয়তো আরও সময় লাগবে।

প্রকল্প বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঠিকাদার বলেছে- কোভিডের কারণে কাজ শেষ হতে দেরি হচ্ছে। ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছে। তবে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজটি শেষ করতে পারলে আমরা খুশি হবো।

এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন, এটি একটি বড় প্রকল্প। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পটির উচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন।  ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী এ প্রকল্পটির ব্যাপারে আমাকে ফোন করেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ধীরেন্দ্রনাথ মজুমদার, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (কাঠামো) কামরুল আহসান, রেলমন্ত্রীর একান্ত সচিব আতিকুর রহমান, আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কান্ট্রি ডিরেক্টর শারজ শার্মা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম ভূইয়া, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার, আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।

ভারতের ত্রিপুরার রাজ্যের আগরতলার সঙ্গে রেল যোগাযোগের জন্য আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন। রেলপথ নির্মাণে কাজ করছে ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইরকন।