প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেলেই সম্মেলনের প্রস্তুতি: ছাত্রলীগ সভাপতি

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা পেলেই সম্মেলনের জন্য প্রস্তুতি নেবেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়। 

জয় বলেন, আমরা একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরে দায়িত্ব পেয়েছিলাম। সেই দায়িত্ব পাওয়ার পর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমাদের মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং আমরা সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনা, তিনিই নির্দেশনা দেবেন কখন সম্মেলন দেবেন। নির্দেশনা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা গণমাধ্যমগুলোতে জানিয়ে দেব। রবিবার (১১ এপ্রিল) দৈনিক ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন জয়।

গত ২ এপ্রিল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের চলতি বছরই আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোকে সম্মেলনের নির্দেশনা দেন। 

আওয়ামী লীগের ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায়নের লক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে শুধু জাতীয় সম্মেলন নয়, আমাদের সহযোগী সংগঠন যাদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, তাদেরকেও সম্মেলন অনুষ্ঠান করতে হবে। অনতিবিলম্বে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করে সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যের পর সম্মেলন নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। মধুর ক্যান্টিন, পার্টি অফিস, টিএসসির চায়ের দোকানে এখন ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরেই চলছে আলোচনা-সমালোচনা।

আল নাহিয়ান খান জয়।

আওয়ামী লীগের একটি সূত্র বলছে, চলতি মাসেই ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ হতে পারে। আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ সম্মেলন হতে পারে বলে মনে করছে ঐ সূত্রটি। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই ছাত্রলীগের কমিটি দেওয়া হয়। এর প্রায় এক বছর পর ৩০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়। দুর্নীতি, অনিয়ম ও চাঁদাবাজির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুইজনকেই অব্যাহতি দেওয়া হয়। তখন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয় যথাক্রমে সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে। পরের বছর ২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি তারা পূর্ণ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। তখন থেকেই তারা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।