ইত্তেফাক রিপোর্ট
সেমাই ছাড়া যেন রোজার ঈদ জমেই না। আর সুস্বাদু সেমাই মানেই দুধ, কিশমিশ, বাদাম আরো কত কিছুর মিশেল। এবার রমজানের শুরুতে এ পণ্যগুলোর দাম খুব একটা না বাড়লেও ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে এই পণ্যগুলোর দাম যেন বাড়তে শুরু করেছে। তবে চিনির দাম বাড়েনি। আগের দরেই প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকায়। আর প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়। গতকাল রবিবার কাওরান বাজার ও নিউমার্কেটসহ কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে এসব পণ্যের দামের এ চিত্র পাওয়া যায়।
বর্তমানে বাজারে অনেক ব্রান্ডের লাচ্ছা সেমাই বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে বনফুল, ঈগলু, অ্যারাবিয়ান, ডেনিশ, পুষ্টি, ডায়মন্ড, জেদ্দা, মধুবন, আলাউদ্দিন, কুলসুন, প্রাণ, ফু-ওয়াং, বিডি ফুড, প্রিন্স ও কিসোয়ান। রমজানের শুরুতে এসব লাচ্ছা সেমাইয়ের ২০০ গ্রামের প্যাকেট ৩০ থেকে ৩২ টাকার মধ্যে বিক্রি হলেও গতকাল তা ৩৫ টাকায়ও বিক্রি হতে দেখা যায়। এছাড়া ব্রান্ডভেদে দাম কমবেশি রয়েছে। এছাড়া প্রতি কেজি খোলা সেমাই বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। যা দুই সপ্তাহ আগেও ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেমাইয়ের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে কাওরান বাজারের একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের বিক্রেতা আনিসুজ্জামান বলেন, ঈদের সময় চাহিদা বাড়ায় দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে ভালো ব্রান্ডের সেমাইয়ের দাম সবসময়ই বেশি বলে তিনি জানান। দাম বেড়েছে তরল ও গুঁড়ো দুধেরও। চাহিদা বাড়ায় মিল্ক ভিটা, আড়ংসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের তরল দুধ দোকানিরা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আধা লিটারের মিল্ক ভিটা ও আড়ং দুধের প্যাকেটের দাম ৩৫ টাকা হলেও কোনো কোনো দোকানি ৩৮ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করছেন। এছাড়া আধা কেজির গুঁড়ো দুধের প্যাকেটে ২০ টাকা বাড়িয়ে মার্কস গুঁড়ো দুধ ২৩০ টাকা, ফ্রেশ দুধ ২৪০ টাকায় বিক্রি করছেন অনেক বিক্রেতা। এছাড়া এক কেজির ডানো ও ডিপ্লোমা গুঁড়ো দুধের প্যাকেট ৫৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা রমজানের শুরুতে ২০ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে। সেমাই ও দুধের পাশাপাশি বিভিন্ন মশলার দামও বেড়েছে।