চাঁদপুরের কচুয়ায় যান্ত্রিক ও আধুনিকতার ছোঁয়ায় কাঠের আসবাবপত্রের কদর কমে যাচ্ছে। বাজারে কম খরচে স্টিল কিংবা বোর্ডের জিনিসপত্রের আধিক্যের কারণে এ শিল্পের কদর কমে যাচ্ছে।
জানা যায়, কাঠ ও কাঠের তৈরি ভাস্কর্য বা দারুশিল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব শতকে। হাতুড়ি ও বাটালির খটখট শব্দে নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় অন্যরকম মাত্রা পেতে থাকে এ শিল্প। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কাঠ শিল্পের ব্যবসা নেই বললেই চলে।
কচুয়া বাজারের কাঠদোকানি সাদ্দাম হোসেন ও পালাখাল বাজারের কাঠদোকানি কামরুল হাসান জানান, বর্তমানে স্টিল ও বোর্ডের আসবাবপত্র আসায় কদর কমেছে কাঠ শিল্পের। ক্রেতারা এখন কাঠের ফার্নিচারের পরিবর্তে স্টিল ও বোর্ডের ফার্নিচারের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ছেন।
কারিগর তাজুল ইসলাম ও আজাদ বলেন, নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও বংশীয় এ পেশা ধরে রেখেছি। তবে এতো পরিশ্রমের পরও আয় থাকছে না। বর্তমানে স্টিলের আলমারি কিংবা বোর্ডের জিনিসপত্র এসে কাঠ শিল্পের কদর কমে গেছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে কাঠ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে বলেও এ দুই কারিগর অভিমত প্রকাশ করেন।