কাবুলে ইসলামাবাদের বিমান হামলা, তলানিতে আফগান-পাকিস্তান সম্পর্ক 

কিছুদিন ধরেই ডুরান্ড-লাইন নিয়ে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে চলছে সীমান্তপ্রাচীর নিয়ে কোন্দল। কয়েকদিন আগেই আফগান আকাশসীমায় ঢুকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর চালানো বিমান হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। তবে বিমান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। এরপর থেকেই এই দুই দেশের সম্পর্ক আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। এ প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই।

কিছুদিন ধরেই আফগানিস্তানের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যান্য স্থানেও পাকিস্তান বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে দেখা গেছে। আফগান-পাকিস্তান বর্তমান সীমান্ত কোন্দল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে তালেবান। এদিকে সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য আফগানিস্তানকে দায়ী করে কঠোর ভাষায় জবাব দিয়েছে পাকিস্তান।

এদিকে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা নিয়ে তালেবানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‌খোস্ত এবং কুনারের সাম্প্রতিক হামলাসহ সামরিক লঙ্ঘন অবশ্যই প্রতিরোধ করা উচিত। কারণ এ ধরনের কর্মকাণ্ড দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। প্রতিপক্ষকে পরিস্থিতির অপব্যবহারের সুযোগ দেয়, যা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিণতির দিকে যায়।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে, পাকিস্তানের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল তালেবান সেসময় আফগান জনগণের উপর গুলি চালিয়েছিল পাকিস্তান।

যাইহোক, অচিরেই সম্পর্ক ভেঙে যাবে বলে ধারণা করছেন অনেকেই। তালেবান ক্ষমতায় আসার সীমান্ত সংঘাত দুই দেশের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি বেশি চোখে পড়ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেও তালেবানদের তেহরিক-ই-তালেবান (টিটিপি) জঙ্গিদের গুলিতে পাঁচ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। হামলার প্রতিবাদে কাবুলে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকেও তলব করেছে তালেবান কর্তৃপক্ষ।

জঙ্গিরা আফগানিস্তানের সাথে পাকিস্তানের অমীমাংসিত পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানের ভেতরে হামলা চালিয়েছে বলে পাল্টা দাবি করেছে ইসলামাবাদ। 

এদিকে তালেবান কর্তৃপক্ষ বলছে, গত বছরের আগস্টে দেশটির ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে তারা দেশের ভেতরে হামলা নিয়ন্ত্রণ করেছে।