সেই হাতির ঠাঁই হলো বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে

নালিতাবাড়ী থেকে উদ্ধার করা হাতিটিকে আদালতের নির্দেশে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশনার পর শুক্রবার ভোরে ট্রাকে করে হাতিকে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে  স্থানান্তর করা হয়।

ময়মনসিংহ বন বিভাগের শেরপুর সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মঞ্জুরুল আলম জানান, নালিতাবাড়ী উপজেলার বনকুড়া এলাকা থেকে সাড়ে ছয় বছর বয়সী হাতিটি উদ্ধার করা হয়। পরে হাতির মালিক মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম ও মাহুত নালিতাবাড়ী উপজেলার বনকুড়া গ্রামের আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরে পুলিশ মাহুত আব্দুর রউফকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। সেইসঙ্গে উদ্ধারকৃত হাতিটি মধুটিলা ইকোপার্কে রাখা হয়।

এদিকে, গারো পাহাড়ে বন্যহাতির তাণ্ডব অব্যাহত থাকায় উদ্ধার হওয়া হাতিটি নিরাপত্তাহীনতায় পড়ে। এ নিয়ে  বৃহস্পতিবার শেরপুরের জিআর আমলী আদালতে হাতিটি স্থানান্তরের আবেদন করেন বাদী মঞ্জুরুল আলম। তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শরিফুল ইসলাম খান হাতিটি বঙ্গবন্ধু সাফারিপার্কে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ ব্যাপারে শেরপুরের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ কর্মকর্তা সুমন সরকার জানান, হাতি লালন পালন করতে হলে সরকারিভাবে লাইসেন্স করতে হয়। উদ্ধারকৃত হাতির মালিকের লাইসেন্স না থাকায় আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।