পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক দেশ রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করছে। কিন্তু মস্কো থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চাপে থাকা ভারত হাঁটছে বিপরীত স্রোতে। গত বছরের তুলনায় এই বছর রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের জ্বালানি কেনার পরিমাণ দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে।
এর মধ্যেই মস্কো থেকে তেল ও অস্ত্র কেনার জন্য নয়াদিল্লির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিবর্তে রাশিয়া থেকে স্বেচ্ছায় সরে যেতে ভারতকে পরামর্শ দিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। তিনি সিনেটে বলেন, ‘রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখায় আমরা ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছি না তবে আশা করি ভারত রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করবে।’
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এসব আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ না হলেও, ‘রাশিয়াকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে। একটি আগ্রাসনকে সমর্থন দেওয়া হচ্ছে। নিশ্চিতভাবে এর ভয়াবহ প্রভাব রয়েছে’।
এদিকে ভারতের সদ্যোবিদায়ি পররাষ্ট্রসচিব বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য বড় শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনায় আমরা জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে চলমান বিশ্ব ব্যবস্থা এবং দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানানোর ওপর জোর দিয়েছি। ’
শ্রিংলা আরও বলেন, ‘ভারতের মোট জ্বালানি তেল আমদানির ২ শতাংশেরও কম আসে রাশিয়া থেকে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জ্বালানি তেল আমদানিকারক হিসেবে আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জাতীয় স্বার্থ ভারতের নীতির ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে।’