ফুলবাড়ীতে খোলাবাজারে প্রতি কেজি পামওয়েল ১৭৮ থেকে ১৮৫ টাকা এবং প্রতি কেজি সয়াবিন ১৯৬ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন হাটবাজারে অতিরিক্ত ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় হাটবাজারে এক ও দুই লিটার বোতলজাত সয়াবিনের সংকট চলছে। গায়ের দামের চেয়ে বোতলপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন বিক্রেতারা। আবার গায়ের দামে সয়াবিন তেল কিনতে হলে ক্রেতাদের তেলের সঙ্গে চাল, আটা ও বিভিন্ন মসলা কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে ফুলবাড়ী পৌর বাজারে যান সুমন মাহমুদ। দোকানদারের কাছে এক লিটার সয়াবিন তেল চাইলে দাম জানালেন ১৭৫ টাকা। কিন্তু বোতলের গায়ে এক লিটারের মূল্য লেখা আছে ১৬০ টাকা। তবে এক কেজি আটা কিনলে গায়ের দামে সয়াবিন তেল পাবেন বলে জানান বিক্রেতা। ফুলবাড়ী পৌর শহরের পশ্চিম গৌরীপাড়া
এলাকার সৌরভ রায় বলেন, তেল নিয়ে বিক্রেতারা তেলেসমাতি শুরু করেছেন। ফুলবাড়ীতে প্রত্যেক কোম্পানি সয়াবিন তেল নির্ধারিত মূল্যে কিনতে তার সঙ্গে বাধ্য হয়ে চাল, আটা অথবা মসলাজাতীয় দ্রব্য কিনতে হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, সব সময় বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। মাঝেমধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালতও পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা করা হচ্ছে। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মমতাজ বেগম বলেন, সরবরাহ ঠিক রাখার মাধ্যমে তেলের মূল্য স্থিতিশীল রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।