লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে ৬ রানে হারলো দিল্লি ক্যাপিটালস। টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৯৫ রান সংগ্রহ করে লখনউ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৭ সাত উইকেটে ১৮৯ রান তুলতে পারে দিল্লি।
এবারের আইপিএল খেলা একমাত্র বাংলাদেশি মোস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ৩৭ রান দিলেও কোনো উইকেটের দেখা পাননি। অবশ্য ক্যাচ মিস না হলে দুটি উইকেট পেরে পারতেন মোস্তাফিজ। তার প্রথম ওভারের প্রথম বল কুইন্টন ডি-ককের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে লেগ স্ট্যাম্পের পাশ দিয়ে বাউন্ডারিতে চলে যায়। পরে ১৮তম ওভারে মোস্তাফিজের বলে মার্কস স্টয়নিস ক্যাচ তুলে দিলেও তা হাতে রাখতে পারেননি ললিত যাদব।
লখনউয়ের ১৯৫ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দিল্লির। মাত্র ১৩ রানের মধ্যে আউট হন দলের দুই ওপেনার পৃথ্বী শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। পরে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক ঋষভ পান্থ। ৩৭ রান করে আম্পায়ারের কল্যাণে আউট মিশেল মার্শ আউট হলে দিল্লির উপর চাপ আরও বাড়ে। রান পাননি ললিত যাদব। তার পরে পন্থের সঙ্গে জুটি বাঁধেন রভম্যান পাওয়েল। ৪৪ রানের মাথায় পন্থকে বোল্ড করে দিল্লিকে বড় ধাক্কা দেন মহসিন খান। পাওয়েলকেও আউট করেন তিনি। শেষ দিকে অনেক চেষ্টা করেন অক্ষর প্যাটেল ও কুলদীপ যাদব। কিন্তু তারা ম্যাচে ফিরতে পারেনি। দিল্লি হেরে যায় ৬ রানে। বল হাতে ৪ উইকেট নেন তরুণ মহসিন খান। ম্যাচ সেরাও হন তিনি
এর টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল করেন লখনউয়ের দুই ওপেনার কুইন্টন ডি-কক ও লোকেশ রাহুল। ২৩ রান করে শার্দুল ঠাকুরের বলে প্যাভিলিয়ন ফেরেন ডি-কক। পরে রাহুলের সঙ্গে জুটি গড়েন দীপক হুদা। প্রতি ওভারে বড় শট খেলছিলেন দুই ব্যাটার। দুজনই অর্ধশতরান করেন। ৫২ রান করেন শার্দুলের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন হুদা। এরপর শুরু হয় রাহুল ম্যাজিক। ৭৭ রানের মাথায় ছক্কা মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রাহুল। রাহুলের উইকেটও পান শার্দুল। শেষ পর্যন্ত ৩ উইকেটে ১৯৫ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায় লখনউ।