দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় নতুন জাতের ব্রি-ধান ৮৯ ধান চাষে সফলতা মিলেছে। দীঘদিন উপজেলার চাষিরা ব্রি-২৮,২৯ জাতের ধান চাষ করেছেন। বিকল্প হিসেবে উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান ৮৯ জাতের বেশি ফলনের কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।
কাহারোল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলায় ৫ হাজার ২শত ৫২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যে মাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তা ছাড়িয়ে এবার ৫ হাজার ৫শত ৫০ হেষ্টর জমিতে বোরো ধান ধান আবাদ করা হয়। এর মধ্যে ব্রি-৭৪ ধান ৫ হেষ্টর ব্রি-৯২ ধান ১০ হেষ্টর ও ব্রি-৮৯ ধান ১৫ হেষ্টর ও কৃষক পর্যায়ে উপজেলায় ৫ শত ৫০ হেষ্টর জমিতে ব্রি-ধান ৮৯ চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে ব্রি-ধান ৮৯ এবার অন্যান্য ধানের তুলনায় ফলন হয়েছে বাম্পার।
উপজেলার কাজী কাঠনা গ্রামের কৃষক বাদশা জানান, তিনি এবার পরীক্ষামূলক ব্রি-ধান ৮৯ আবাদ করেছেন ৫০ শতক জমিতে। কাঁচা অবস্থায় ৪৯মণ ফলন হয়েছে। ব্রি-ধান ৮৯ এর জীবন কাল ব্রি-ধান ২৯ এর চেয়ে ৩-৫ দিন কম সময় লাগে এবং ফলনও বেশি। তাই কৃষকেরা ব্রি-ধান ৮৯ জাতের দিকে ঝুঁকে পড়েছে।
কাহারোল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবু জাফর মো. সাদেক জানান, ব্রি-৮৯ ধান সহ কাছাকাছি কয়েকটি জাত সম্প্রসারণে কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি নতুন জাতের প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে কৃষকদের। নতুন জাতগুলোতে ফলন বেশি বলে বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে সহায়ক। কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন এদিকে ফলন বেশি হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে নতুন নতুন জাতের ধান চাষের আগ্রহ বেড়েছে।