লন্ডনে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে গত মঙ্গলবার। বাংলাদেশ দল দুপুর ১২টায় ঈদের নামাজ পড়ে সেন্ট্রাল লন্ডন মসজিদে। তবে নামাজে যাওয়ার আগে মসজিদের নাম প্রকাশ করেনি আইসিসি। নিউজিল্যান্ডে সন্ত্রাসী আক্রমণের স্মৃতি এখনো টাটকা। তাই ক্রিকেটারদের সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এমনটা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
নামাজ শেষে টিম হোটেল রিভারব্যাংক পার্ক প্লাজায় ফিরে আসেন। টেমস নদীর তীরে অনন্য সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে এই হোটেলের অবস্থান। হোটেলে প্রবেশের আগে ছবি তোলার আনন্দে মেতে ওঠেন টাইগাররা।
সাকিবের পরনে ছিল কালো রঙয়ের পাঞ্জাবির ওপর কালো হাতাকাটা কোটি। মুশফিক রহিম হালকা গোলাপি রঙের পাঞ্জাবি পরেন। সাব্বির রহমান পরেন সাদা পাজামা ও পাঞ্জাবি। মোসাদ্দেক হোসেন কমলা ও লাল রঙের পাঞ্জাবি পরেন। রুবেলের পাঞ্জাবি ছিল খানিকটা রংচংয়ে। মোহাম্মদ মিথুনের গায়ে ছিল শাপলা ফুল রঙয়ের পাঞ্জাবি। সাইফুদ্দিনের পাঞ্জাবির রং ছিল মেরুন। ক্রিকেটারদের সঙ্গে ঈদের জামাতে অংশ নেন টিমের অন্যতম নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন ও ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন।
রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২১ রানের হারানোর পর সোমবার দিনটা হোটেলে বিশ্রামে কাটিয়েছেন সবাই। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও এখন লন্ডনে। সোমবার বাংলাদেশ দলের সম্মানে তিনি স্থানীয় একটি হোটেলে ইফতার পার্টির আয়োজন করেছিলেন।
মঙ্গলবার ঈদের দিন হলেও নামাজের পর বিশেষ কিছু করার কিছু ছিল না বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। অধিনায়ক মাশরাফি, সাকিব, মুশফিক, রিয়াদ, মিথুনসহ কয়েকজন ক্রিকেটার অবশ্য পরিবার সঙ্গে নিয়ে ইংল্যান্ডে এসেছেন। বাংলাদেশ দলের কোচিং স্টাফরাও পরিবার নিয়ে এসেছেন। অন্যদের তুলনায় তাদের সময় কিছুটা ভালো কেটেছে। মাশরাফি ও সাকিব পরিবার নিয়ে বাইরে হাঁটতে যান। বাকিরা দুপুরের খাবারের পর অনুশীলনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন।
বিকাল ৫টা থেকে ওভাল মাঠে শুরু হয় অনুশীলন। টিম হোটেল থেকে ওভাল মাঠের দূরত্ব ৫ মিনিটের পায়ে হাঁটা পথ। ঈদের দিনেও ব্যাটবল হাতে অনুশীলনে নামতে হয় তাদেরকে। বৃষ্টির কারণে শুরুর দিকে ইনডোরে নেট প্র্যাকটিস চলে। পরে বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর শুরু হয় মাঠের অনুশীলন। ফ্লাডলাইটের আলোয় অনুশীলন চলে টানা তিন ঘণ্টা।