এপ্রিলে ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়েছেন পুতিন!

গত এপ্রিলে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্যানসারের চিকিৎসা নিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনে পুতিনের স্বাস্থ্য নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। মে মাসের শেষ দিকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের বিস্তৃত পর্যবেক্ষণ প্রকাশের পর এই আলোচনার শুরু। যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে পুতিনের এই জটিল অসুখের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলেছেন, মার্চে পুতিনকে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি পৃথক গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকা নিয়ে পুতিনের ‘উন্মত্ততা’ ক্রমাগত বাড়ছে। তার ক্ষমতালিপ্সার মনোভাব ইউক্রেনের পরিস্থিতিকে জটিল ও অনিশ্চিত দিকে নিয়ে যেতে পারে। 

সরাসরি প্রতিবেদনটি পড়ার সুযোগ পাওয়া এক সিনিয়র গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেছেন, ক্ষমতায় পুতিনের নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী। কিন্তু এখন আর ‘একচেটিয়া’ না। অনেকেই মনে করছে, পুতিনের দিন ‘ঘনিয়ে এসেছে’। তার প্রবল ক্ষমতা সমাপ্তির খুব সন্নিকটে। 

ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা যা জানি তা ভাসা ভাসা। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আমাদের সেরা গোয়েন্দা সূত্র খুব কাজে লাগছে না। বিদেশি নেতাদের সঙ্গে পুতিন খুব কম বৈঠক করেছেন। তার বিচ্ছিন্নতার কারণে বিভিন্ন জল্পনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

দুই সপ্তাহ আগে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্হাগুলোর সংকলিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, রুশ প্রেসিডেন্ট ভীষণ অসুস্হ। তার অসুস্থতার গুঞ্জন পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমে বেশ কয়েক দিন ধরে শোনা যাচ্ছে।