নরম্যান্ডি-তে বিশ্বযুদ্ধের সৈনিকদের সম্মান জানালো সাধারণ মানুষ

১৯৪৪ সালের ৬ জুন যেসব যোদ্ধারা মিত্র বাহিনীর হয়ে নরম্যান্ডিতে যুদ্ধ করেন, তারা যখন এত বছর পর আবার সেই ঐতিহাসিক সৈকত ও অন্যান্য জায়গায় পা রাখেন, তখন তারা একইসাথে আনন্দ ও দুঃখ প্রকাশ করেন। ১৯৪৪ সালের ঐ দিন যারা সেখানে মৃত্যুবরণ করেছিলেন, তাদের প্রতি ফরাসিদের কৃতজ্ঞতা আর বন্ধুত্ব দেখে তারা আনন্দ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি ইউরোপে এখন চলা আরেকটি যুদ্ধ অর্থাৎ ইউক্রেনের যুদ্ধের কথা ভেবে দুঃখ প্রকাশ করেন তারা।

৭৮ তম ডি ডে উপলক্ষে নরম্যান্ডিতে এ বছর ৯০ বছরের কাছাকাছি বয়সী ভেটেরানসহ ফ্রেঞ্চ ও আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীরা ১ লাখ ৬০ হাজার সেনাকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য উপস্থিত ছিল। ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ অন্যান্য দেশের সেনারা স্বাধীনতা আনার জন্যে নরম্যান্ডিতে যুদ্ধ করেছিলেন।

ডি ডে-তে মিত্রবাহিনীর সৈন্যরা ৭ হাজার নৌকায় করে ওমাহা, ইউটাহ, জুনো, সোর্ড এবং গোল্ড সাংকেতিক নামের সৈকতে অবতরণ করেছিল। সেই একদিনে মিত্রবাহিনীর ৪ হাজার ৪ শ ১৪ জন সৈন্য প্রাণ হারিয়েছিল যাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য ছিল ২ হাজার ৫শ ১ জন।আহত হয়েছিল ৫ হাজারেরও বেশি সৈন্য।

জার্মানির পক্ষের কয়েক হাজার সেনা নিহত ও আহত হয়েছিল।

সোমবার কোলভিল-সুর-মেরে জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান আর্মি জেনারেল মার্ক মিলির উপস্থিতিতে স্মরণ অনুষ্ঠানের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর বিমান আমেরিকান সমাধিস্থলের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। এ স্থানে ডি-ডে’র যুদ্ধ এবং পরবর্তী অপারেশনগুলোতে নিহত ৯ হাজার ৩৮৬ জনের কবর রয়েছে। ভয়েজ অব আমেরিকা।