ফুটবলারদের উজ্জীবিত করতেই আনা বিশ্বকাপ ট্রফি 

স্বপ্নের ফুটবল বিশ্বকাপে কখনো খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ। আদৌ পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান হওয়ার সংখ্যাই বেশি। বেশ কয়েক বার আশ্বাস শোনা গেলেও নিশ্চয়তা দিতে পারেননি কেউ। ফুটবলারদের উজ্জীবিত করতে তাই বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ট্রফি এনেছে বাফুফে। এমনটাই জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন।

দুই দিনের সফরে গতকাল বেলা ১১টায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসে বিশ্বকাপ ট্রফি। তা গ্রহণ করতে সাত সকালে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন বাফুফের কর্মকর্তারা। 

ট্রফি আনার পেছনে কারণ বলতে গিয়ে সালাউদ্দিন বলেন, ‘বাফুফের একজন সংগঠক হিসেবে অনেক চেষ্টা করে ট্রফিটা এখানে এনেছি। ভবিষ্যতে আমরা তো আর ফুটবল খেলতে পারবো না। খেলবে খেলোয়াড়েরা, কোচরা। এটা যেন খেলোয়াড়, কোচ ও ক্লাবদের অনুপ্রাণিত করে।’

বিশ্বকাপ ট্রফি এ নিয়ে তৃতীয়বার এলো বাংলাদেশে। কিন্তু লাল-সবুজ জার্সিধারীরা কবে সেই ট্রফির মঞ্চে খেলতে পারবে- এ নিয়ে সালাউদ্দিনও কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি, ‘এটা কেউ বলতে পারবে না। এটা খেলোয়াড়দের ওপর নির্ভর করে। আমরা চেষ্টা করতে পারি শুধু, কাজ করতে পারি। এটা নতুন ও পুরনো খেলোয়াড়দের কাজ। এর জন্য আমরা সবাই মিলে কাজ করতে পারি।’

কালো কাপড়ে ঢেকে আনা ট্রফিটি উন্মোচন করেন ফ্রান্সের হয়ে ১৯৯৮ বিশ্বকাপ জেতা ক্রিস্টিয়ান কারেম্বু। সঙ্গে ছিলেন ফিফার ট্রফি টু্যরের প্রধান মিস সারা গান্দোনিও। তিনি বলেন, ‘উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য আমি আপনাদের ধন্যবাদ দিতে চাই। আমরা জানি, বাংলাদেশ আসলে ফুটবলের প্রতি ভীষণ অনুরাগী। সে কারণে আমরা আবার এ দেশে ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ আনতে পেরে দারুণ খুশি। আমরা আশা করছি সবাই এই ট্রফির জাদুতে মুগ্ধ হবে।’

এদিকে, প্রথম দিনে গতকাল বিকালে ট্রফিটি রাষ্ট্রপতির বাসভবন বঙ্গভবনে নিয়ে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় গণভবনে নেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখানোর জন্য। আজ সকালে হোটেল র্যাডিসন ব্লুতে ট্রফির সঙ্গে ছবি তুলতে পারবেন ফিফার স্পনসর কোকা-কোলার আমন্ত্রিত ব্যক্তিরা। পরে বিকালে আর্মি স্টেডিয়ামে এক কনসার্টে সাধারণ দর্শকের মাঝে উন্মুক্ত করা হবে ট্রফিটি।