হাসান বাদ দলীয় সিদ্ধান্তে

ইনজুরি কাটিয়ে ফিট হাসান মাহমুদ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের আগে জাতীয় দলের নেটে বোলিং করেছেন এ তরুণ পেসার। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো বলে গেছেন, হাসানকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে পাওয়া যাবে। নির্বাচকরাও নিশ্চিত করেছিলেন ডানহাতি এ পেসারকে ওয়ানডে দলে ফেরানো হচ্ছে। পরে শহীদুল ইসলাম ইনজুরিতে পড়লে হাসানের ক্যারিবিয়ান যাওয়ার সিদ্ধান্ত যেন পোক্ত হয়।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে জাতীয় দলে ফেরা হচ্ছে না এ তরুণের। রিহ্যাবে দ্রুত উন্নতি করা, ক্রমশ ফিট হয়ে ওঠা তাসকিন আহমেদকে দিয়েই কাজ চালিয়ে নিতে চায় বিসিবি। ওয়ানডের পর টি-২০ দলেও অন্তভু‌র্ক্ত করা হচ্ছে তাসকিনকে। তাই হাসানের যাওয়া হচ্ছে না ক্যারিবিয়ান।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘হাসানের বাদ পড়া দলীয় সিদ্ধান্েত। বিসিবির ব্যয় সংকোচনের অংশ নয়।’

গতকাল হাসানকে না পাঠানোর বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘হয়তো অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের কোনো ব্যাপার আসবে। এমন নয় যে কাউকে বাদ দিয়ে ব্যয় সংকোচন করা হচ্ছে, এমন না। টিম কম্বিনেশন বা অন্য বিষয়গুলোতে পরিকল্পনায় পরিবর্তন এলে সেটা হতেই পারে। এমন নয় যে, আর্থিক কারণে। এখানে আর্থিক কোনো কারণ জড়িত নেই, আমি সেটাই মনে করি।’ তবে এ সফরে নির্বাচকরা জাতীয় দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না খরচ কমানোর পরিকল্পনা থেকেই।

মূলত অবকাঠামোগত কিছু উন্নয়ন কাজের জন্যই ব্যয় সংকোচনের নীতিতে হাঁটছে বিসিবি। প্রধান নির্বাহী গতকাল তেমনটাই জানালেন। 

নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, ‘আমাদের বেশ কিছু কার্যক্রম আছে। এর মধ্যে অবকাঠামোগত উন্নয়ন রয়েছে। সেক্ষেত্রে বড় ধরনের পুঁজির প্রয়োজন হবে। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে যেহেতু ওরকম উন্নতি নেই, তাই প্রভাব তো পড়ছেই। সব কিছু বিবেচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যতটুকু সম্ভব ব্যয় সংকোচন করা যায়। তবে নিশ্চয়তা দিচ্ছি, সেক্ষেত্রে আমাদের এফটিপিতে প্রভাব পড়ছে না।’