‘চুয়াডাঙ্গার সেই নারী মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত নন’ 

চুয়াডাঙ্গায় শরীরে ফোসকা নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের পর্যবেক্ষণে থাকা নুরজাহান খাতুন (৬০) নামের নারীর শরীরে মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ পায়নি মেডিক্যাল বোর্ড। এটাকে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মনে হওয়ায় তার শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের মতামতের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের পরামর্শক ডা. আবুল হোসেন  শুক্রবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

সকালে ওই নারীকে সদর উপজেলার নতুন ভান্ডারদহ গ্রাম থেকে এনে সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত ওই কক্ষেই তাকে রাখা হবে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। 

সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. এস এম ফাতেহ আকরাম জানান, বৃহস্পতিবার শরীরে ফোসকা, সর্দি-জ্বর ও ব্যাথা নিয়ে নুরজাহান খাতুন বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। বহির্বিভাগের চিকিৎসক ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন তাকে ২৪ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে হোম আইসোলেশনে পাঠান।

মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য ডা. আবুল হোসেন বলেন, রোগীর শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহের পর আমরা নিশ্চিত হয়েছি এটি মাঙ্কিপক্স বা কোনো পক্স নয়। তার শরীরে যে ধরনের ফোসকা দেখা গেছে তা সাধারণত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় হয়ে থাকে। একধরনের চর্মরোগ এটা।