বিসিবির ব্যয় সংকোচনের এক নীতি বাংলাদেশ দলের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরটাকে যেন আড়ালে ঢেকে দিয়েছে। এমনিতেই পৃথিবীর অন্যপ্রান্তে হওয়ায় সময়ের পার্থক্যটা দিন-রাতের মতো। তার ওপর এই সফরে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে নেই মিডিয়া ম্যানেজার, নেই নির্বাচকদের কেউ।
গণমাধ্যমকর্মীদের কাজটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে, সঙ্গে পাঠক, দলের খবর পাওয়ার মাধ্যমটা সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে সমর্থকদের জন্য। গত বৃহস্পতিবার অ্যান্টিগায় প্রথমবার অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। নেট অনুশীলনে বেশ চনমনে মনে হয়েছে ক্রিকেটারদের। তামিম ইকবাল, মুমিনুল হক, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্তরা নেটে ব্যাটিং করেছেন। এবাদত হোসেন, খালেদ আহমেদ, রেজাউর রহমান রাজা, মেহেদী হাসান মিরাজরাও বোলিং করেছেন। ফিল্ডিং সেশনও হয়েছে পুরোদমে। কোচিং স্টাফের সব সদস্যই উপস্হিত ছিলেন অনুশীলনে।
হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো, ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্স, বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ড, ফিল্ডিং কোচ শেন ম্যাকডারমট শিষ্যদের নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন।
তাতে করে কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার তৃপ্তিই পাওয়া গেল শান্তর কণ্ঠে। বাঁহাতি এ টপঅর্ডার ব্যাটার বলেছেন, ‘একটা ইতিবাচক দিক ছিল যে আমরা আগে আসছি কয়েক জন। তো আগে আসার কারণে যে জিনিসটা হলো, যেহেতু অনেক দূর বাংলাদেশ থেকে, তো জেট ল্যাগের যে ব্যাপারটা ছিল সেটা কাটিয়ে উঠতে পেরেছি আমরা। আগে আসার কারণে আমরা জিম করেছি, একটু মজাদার গেমস খেলছি। সব মিলিয়ে এখানে মানিয়ে নেওয়ার যে ব্যাপারটা ওটা ভালো হয়েছে।’
অনুশীলন ও প্রস্ত্ততি ম্যাচের মাধ্যমে কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার আশাই ব্যক্ত করলেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো অনুশীলন হয়েছে, ফিল্ডিং, ব্যাটিং সেশনও করেছি। এখনো পর্যন্ত খুব ভালো অবস্হানে আছি। সামনে আমাদের একটা প্রস্ত্ততি ম্যাচও আছে। আশা করছি খুব ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারব।’