পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেছেন, ‘বাংলাদেশের একার পক্ষে ১০ লাখেরও বেশি মিয়ানমারের নাগরিকের দেখাশোনা করা কঠিন। এজন্য বিদেশি সাহায্য অত্যন্ত জরুরি। বিষয়টিকে শুধুমাত্র বাংলাদেশের স্থানীয় সমস্যা হিসেবে না দেখে একটি বৈশ্বিক এবং সমষ্টিগত সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সেটিই করার চেষ্টা করছি।’
বৃহস্পতিবার (৯ জুন) ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর স্কুল অব লিবারেল আর্টস আন্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস ও গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড গভর্নেন্স (জিএসজি) বিভাগের আয়োজনে ‘গ্লোবাল লোকাল ট্রেডঅফস, অর্ডার-ডিসঅর্ডার কনসিকোয়েন্সেস: স্টেট নো মোর অ্যান আইল্যান্ড’ শিরোনামে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পাঠানো ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
বইটি সম্পাদনা করেছেন আইইউবি’র জিএসজি বিভাগের অধ্যাপক এবং সেন্টার ফর পেডাগজির পরিচালক ড. ইমতিয়াজ এ হুসাইন। বিশ্ববিখ্যাত প্রকাশনা সংস্থা প্যালগ্রেভ ম্যাকমিলান সম্প্রতি বইটি প্রকাশ করেছে। এতে শরণার্থী, জলবায়ু পরিবর্তন, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, অভিবাসন, ইত্যাদি বিষয়ে মোট ১২টি গবেষণাপত্র রয়েছে। এগুলো লিখেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, আইন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পাঠানো ভিডিও বার্তায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, এমপি বলেন, বাংলাদেশের একার পক্ষে ১০ লাখেরও বেশি মিয়ানমারের নাগরিকের দেখাশোনা করা কঠিন। এজন্য বিদেশি সাহায্য অত্যন্ত জরুরি। এই বিষয়টিকে শুধুমাত্র বাংলাদেশের একটি স্থানীয় সমস্যা হিসেবে না দেখে একটি বৈশ্বিক এবং সমষ্টিগত সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আমরা সেটিই করার চেষ্টা করছি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী। বইটির মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ এ হুসাইন। পর্যালোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. আমেনা মহসিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. সাহাব এনাম খান এবং আইইউবি’র জিএসজি বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থী সুবাইতা ফাইরোজ।