৪৩ তম ইন্দো-প্যাসিফিক আর্মিস ম্যানেজমেন্ট সেমিনার (আইপিএএমএস)-এর লোগো উন্মোচন ও ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ জুন) সকালে ঢাকা সেনানিবাসস্থ আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এ উদ্বোধন করেন।
এসময় সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ইউএস আর্মি প্যাসিফিক (ইউএসএআরপিএসি)-এর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১২-১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং ইউএসএআরপিএসি-এর যৌথ ব্যবস্থাপনায় ঢাকা ও কক্সবাজারে আইপিএএমএস অনুষ্ঠিত হবে।
সেমিনার উপলক্ষে ইউএসএআরপিএসি-এর সদস্য এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে গত ১২ জুন তিন দিনব্যাপী মধ্যম পর্যায়ের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এবং ইন্দো প্যাসিফিক এলাকার সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও সম্মিলিত প্রয়াসে একসঙ্গে এই এলাকার বৃহত্তর স্বার্থ সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং উপযুক্ত কর্মধারাকে নিরূপণের জন্য এই সম্মেলন প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়।
এ বছর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তৃতীয়বারের মত এই বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজন করবে। এ সম্মেলনে মিত্র দেশসমূহের সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় নিয়ে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘ইন্দো প্যাসিফিক এলাকায় শান্তি এবং স্থিতিশীলতা রক্ষায় সম্ভাবনা এবং প্রতিকূলতা’ (প্রসপেক্ট অ্যান্ড চ্যালেঞ্জস অব মেইনটেইনিং পিস অ্যান্ড স্টাবিলিটি অ্যান্ড ইন্দো-প্যাসিফিক রিজন)
বর্তমানে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এ রকম একটি বৃহৎ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য একটি সাহসী উদ্যোগ। বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর পেশাদারি যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি সামগ্রিক সম্পর্কেরও উন্নয়ন সাধন হবে।
এই সম্মেলনে ইন্দো প্যাসিফিক এলাকার ত্রিশোর্ধ্ব দেশের সেনাপ্রধানসহ জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করবেন। এতে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে এবং সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বের মান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রকাশিত হবে।
উল্লেখ্য যে, ৪৩ তম আইপিএএমএস সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যাদি https://ipams.army.mil.bd এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানা যাবে।