সুজানগরে অবাধে চলছে বালু উত্তোলন

সুজানগরের পদ্মা নদীতে সরকার অনুমোদিত বৈধ কোনো বালুমহাল নেই। ইতিপূর্বে উপজেলার বালু ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট বালুমহালের দাবিতে আবেদন করলেও আইনি জটিলতায় পদ্মা নদীর সুজানগর অংশে কোনো বালুমহাল ঘোষিত হয়নি। কিন্তু তার পরও এলাকার প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ীরা পদ্মা নদীর লক্ষ্মীপুর, হাজারবিঘা ও চর বিশ্বনাথপুর পয়েন্ট থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করছেন। 

পদ্মা নদীর পার্শ্ববতী‌র্ মুজায়িতপুর গ্রামের বাসিন্দা আরশেদ আলী মোল্লা ও গোপালপুর গ্রামের মজিবর শেখ বলেন, পদ্মা নদীর ঐ তিনটি পয়েন্টে উপজেলার সাতবাড়ীয়া এবং ভায়না ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর, তারাবীয়া, গোপালপুর, ভায়না, হেমরাজপুর, চলনা, চরপাড়া এবং লক্ষ্মীপুরসহ ৮/১০টি গ্রামের শত শত কৃষকের হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি রয়েছে। কিন্তু এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ী প্রতিদিন ঐ তিনটি পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে নিষিদ্ধ শক্তিশালী ড্রেজার দিয়ে লাখ লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করছেন।

এতে ঐ সব জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা পদ্মা পাড়ের লক্ষ্মীপুর এলাকায় মানববন্ধন করেছেন।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিনহাজুল ইসলাম বলেন, সুজানগরে সরকার অনুমোদিত কোনো বৈধ বালুমহাল নেই। তাই শিগ্গিরই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।