ক্যারিবীয় শিবিরে এবার এবাদতের হানা

টেস্ট ক্রিকেট মানেই ধৈর্যের খেলা। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই এ খেলায় ধসে পড়ে বাংলাদেশ। আজও তার ব্যতিক্রম হলো না। টপ অর্ডারের ব্যর্থতায় মাত্র ১০৩ রানেই অলআউট টাইগাররা। কোনো ব্যাটারই টেস্ট মেজাজ দেখাতে পারেননি। সবাই কেবল আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিলেন। বল হাতে তাই লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে টাইগাররা। যেখানে প্রথম উইকেট শিকার করে টাইগার শিবিরে স্বস্তি এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার পরে উইকেটের দেখা পেয়েছেন এবাদত হোসেনও। 

প্রথম পাঁচ ওভারে কোনো রানই নেননি দুই ক্যারিবিয়ান ওপেনার অধিনায়ক ক্রেইগ ব্রাথওয়েট ও জন ক্যাম্পবেল। ৬ষ্ঠ ওভারে দলীয় রানের খাতা খুলে তারা। আর ১৫তম ওভার শেষে স্বাগতিকদের স্কোর ১৫ রান। এতেই এই দুই ব্যাটারের ধৈর্যের প্যারামিটার মাপা যায়। চা বিরতি থেকে ফেরার পর হাত খুলতে শুরু করেছে তারা। অবশ্য রান নিতে চাননি, তা বললে ভুল হবে। বাংলাদেশি বোলাররা আটসাট বোলিং করে চেপে ধরতে সক্ষম হয়। কেবল উইকেট ই পাওয়া হয়নি।

সুযোগ তৈরি হয়েছিল অবশ্য। তখনো রানের খাতা খুলেননি ব্রাথওয়েট। মুস্তাফিজুর রহমানের একটি ডেলিভারি ফ্লিক করতে গিয়ে লেগ স্লিপে উঠিয়ে দেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। সেটি তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক। এরপর এমন সুযোগ আর আসেনি। অপেক্ষা কেবল বাড়তে থাকে। 

অবশেষে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছেন মুস্তাফিজ। দলীয় ২৬তম ওভারে বল করতে এসে প্রথম বলেই ক্যাম্পবেলকে সরাসরি বোল্ড করেছেন তিনি। ৪৪ রানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম উইকেটের পতন ঘটলো। ক্যাম্পবেল করেন ২৪ রান। এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ক্যারিবীয়দের ২৮ রানের জুটি ভেঙে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় উইকেট এনে দেন পেসার এবাদত হোসেন। তার করা ইনিংসের ৩৪তম ওভারে সুইংয়ে কাবু হয়ে উইকেটকিপারের হাতে বল তুলে দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন রাইমন রাইফার। ২৬ বল মোকাবিলায় তিনি করেন ১১ রান।

এই রিপোর্ট লেখার সময় স্বাগতিকদের সংগ্রহ এক উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান। ব্রাথওয়েট ১৫ রানে অপরাজিত। বাংলাদেশ থেকে এখনো ৫৮ রানে পিছিয়ে তারা।