কলাপাড়ায় থানাভবন ঘেরাও, এসআইসহ ছয় পুলিশ আহত

কলাপাড়ার মহিপুর থানায় এক আসামী গ্রেফতারের প্রতিবাদে থানা ভবন ঘেরাও করে রাখে পরাজিত এক মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকরা। শুক্রবার দুপুর থেকে প্রায় তিন ঘন্টা পর্যন্ত এনিয়ে বিক্ষুব্ধ সমর্থক এবং পুলিশের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত লাঠিচার্চ এবং পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে।

১৭ জুন (শুক্রবার) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বিক্ষুব্ধ সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশের লাঠিপেটার জবাবে এসআই আঃ হালিমসহ কনেস্টবল যথাক্রমে মিলন, ওবায়দুল, আবজাল এবং নারী কনেস্টবল শীলা ও নাসরীন আহত হন। এসময় পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্চে দুই নারীসহ অন্তত ১৫ জন বিক্ষুব্ধ সমর্থক আহত হয়েছেন। 

আহতরা হলেন, আঃ রাজ্জাক, রাজা মিয়া, দুলাল, মনির মোল্লা, মনিরুজ্জামান, কাদের মাঝী, মিলন বেপারী, ওবায়দুল্লাহ, ইলিয়াস, রায়হান, মোসলেম, মজিদ, ইউসুফ, নারী সমর্থক বিউটি ও সাফিয়া। এদেরকে কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

আহত সাফিয়া বলেন, একজন নিরাপরাধ লোককে থানায় ধরে নিয়ে এসেছে। আমরা এর শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ স্বরূপ থানার সামনে অপেক্ষমান ছিলাম। পুলিশ অতর্কিত আমাদের ওপর লাঠিপেটা করেছে। এদিকে আহত পুলিশের এসআই হালিমকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল 

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ওসি আবুল খায়ের।

তিনি আরো জানায়, লতাচাপলী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পরাজিত মেম্বর প্রার্থী জলিল ঘরামী ও তার ভাই খলিল ঘরামী ওই এলাকার মানুষকে মারধরসহ বিভিন্ন হুমকি দিয়ে আসছিলো। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার দুপুর দুইটায় ওই এলাকার কবির মোল্লার স্ত্রী শিউলী বেগম বাদী খলিল ঘরামীসহ বেশ কয়েকজনের নামে একটি মামলা করেন। পরে পুলিশ দুপুর ৩ টার দিকে খলিলকে গ্রেফতারের পর জলিল তার প্রায় ৪ শ' সমর্থকদের নিয়ে থানা ঘেরাও করে এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।