আনোয়ারার সার কারখানাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর দাবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনার পর আনোয়ারায় অবস্থিত গ্যাস ও সার কারখানাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো ও সচেতনতার সঙ্গে কারখানা পরিচালনার দাবি তুলেছেন আনোয়ারার জনসাধারণ ও সচেতন মহল।

জানা যায়, ২০১৬ সালে ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি-১) সার কারখানায় একটি অ্যামোনিয়া গ্যাসের ট্যাংক বিস্ফারণ হয়ে অন্তত ৫০ ফুট দূরে উড়ে গিয়ে পড়ে ট্যাংকটি। এতে নির্গত হয় প্রায় ৪০০ টন অ্যামোনিয়া গ্যাস। যা প্রায় কয়েক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাতাসের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। এর বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের গত ২৪ এপ্রিল একটি সার কারখানার বর্জ্যের বিষাক্ত পানি পান করে ১৩ মহিষের মৃত্যু হয়। এর আগে ১৪ এপ্রিল চারটি এবং সর্বশেষ ৬ মে আটটি মহিষের মৃত্যু হয়।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এম এ কাইয়ুম শাহ বলেন, এমনিতেও এসব কারখানার দূষিত বর্জ্য নিয়ে অশান্তিতে আছে এখানকার মানুষ। মারা যাচ্ছে গৃহপালিত পশু। বাড়ছে রোগবলাই। এখন সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডি দেখে আরো ভয় লাগতেছে বেশি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জুবায়ের আহমেদ জানান, এসব প্রতিষ্ঠানে নজরদারি বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে জানানো হবে।