ছাত্রলীগের মডেল ফেনী জেলা

কমিটি গঠনের দুই মাসেই সবকটি উপজেলা ও শহর শাখার সম্মেলন করেছে ফেনী জেলা ছাত্রলীগ। সম্মেলন স্থলেই কমিটি ঘোষণা করে ছাত্রলীগের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনছে এই জেলা ইউনিট। এতে করে স্থানীয় নেতা-কর্মী ও দেশব্যাপী প্রশংসিত জেলা ছাত্রলীগ। সারাদেশে ছাত্রলীগের জন্য অনুকরণীয় হিসেবেও বলছেন তারা।

জানা যায়, গত ৪ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা করেন। এতে তোফায়েল আহাম্মদ তপুকে সভাপতি ও মো. নুর করিম জাবেদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। দীর্ঘ সাত বছর পর কমিটি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নেতা-কর্মীদের সুশৃঙ্খল রাখতে জেলার সবকটি ইউনিটেই সম্মেলন দিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে জেলা ছাত্রলীগ।

জেলা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, পরশুরাম উপজেলার সম্মেলন ২৪ মে, ফুলগাজী উপজেলায় ২৬ মে, ছাগলনাইয়া উপজেলায় ২৯ মে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সোনাগাজী উপজেলায় ১ জুন, দাগনভূঁইয়া উপজেলায় ৩ জুন, ফেনী সদর উপজেলা ও ফেনী পৌর ছাত্রলীগের সম্মেলন যথাক্রমে ১৪ ও ১৬ জুন অনুষ্ঠিত। সবকয়টি ইউনিটের সম্মেলন স্থলেই ঘোষণা হয় ছাত্রলীগের কমিটি।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ তপু বলেন, সম্মেলন স্থলে কমিটি হওয়া জরুরি। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, সম্মেলনের পর মাস-বছর পেরিয়ে যায় কমিটি হয় না। বিভিন্ন চাপ থাকে। সম্মেলন স্থলে কমিটি ঘোষণা করলে যোগ্য নেতৃত্ব বাছাই করা যায়। 

তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কমিটি দিলে নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত থাকে। আগামী এক মাসের মধ্যে জেলা কমিটিও পূর্ণাঙ্গ করে ফেলবো। আগামী সংসদ নির্বাচন আমাদের লক্ষ্য।’

সাধারণ সম্পাদক মো. নুর করিম জাবেদ বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আমরা সাতটি ইউনিটে কমিটি দিয়েছি। যেখানে যাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সবাই মেনে নিয়েছে। কোথাও কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামীলীগ অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী। সর্বশেষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪৩টির মধ্যে ৪২টিতে নৌকার প্রার্থী জয়লাভ করেছে। আগামী দিনেও আমরা এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।’