অ্যান্টিগা টেস্ট

বাংলাদেশকে হারাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের চাই ৮৩ রান

সাকিব চাইলেই পারেন! এক সাক্ষাৎকারে এমনটা বলেছিলেন তামিম ইকবাল। বাংলাদেশ ক্রিকেটেও এ কথা প্রচলিত আছে। হয়তো সাকিব আল হাসান নিজেও সেটা বিশ্বাস করেন। তাইতো অ্যান্টিগায় অবিশ্বাস্য কিছু লিখতে চেষ্টা করে গেছেন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন নুরুল হাসান সোহান। তবে শেষটা এখনো বাকি। ফল কি হয় তা সময়ই বলে দেবে।

তার আগে সাকিব ও সোহান মিলে যে চেষ্টা করে গেছেন, এর জন্য তাদের ধন্যবাদ দিতেই হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখার পুরো কৃতিত্ব তাদের। বাংলাদেশের স্কোর যখন ১০৯ রান, তখন ৬ষ্ঠ ব্যাটার হিসেবে আউট হন দারুণ খেলতে থাকা মাহমুদুল হাসান জয়। তিনি ১৫৩ বল মোকাবিলায় ৪২ রান করেন। এর পরই শঙ্কা জাগে ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জার। বাংলাদেশ যে তখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে ৫৩ রানে পিছিয়ে।

এর পরই সপ্তম উইকেটে সোহানকে নিয়ে জুটি গড়ে তোলেন অধিনায়ক সাকিব। দু'জনের জুটি থেকে আসে ১২৩ রান। এতে ভর দিয়ে ইনিংস ব্যবধানে হারের লজ্জা এড়ানো গেছে। একই সঙ্গে লড়াই করার মতো লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। স্কোরবোর্ডে ২৩২ রানের সময় আউট হয়েছেন সাকিব। কেমার রোচের বলে ক্রেইগ ব্রাথওয়েটের হাতে ক্যাচ তুলে দেওয়ার আগে খেলেন ৯৯ বলে ৬৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি সোহানও। স্কোরবোর্ডে আর ছয় রান যোগ হতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। রোচের বলে কটবিহাইন্ডের শিকার হন। তার আগে করেন ১৪৭ বল মোকাবিলায় সর্বোচ্চ ৬৪ রান।

দলের স্কোর আর বেশিদূর আগায়নি। ৭ রানের মধ্যেই বাকি দুই জন আউট হয়ে যান। অর্থাৎ নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪৫ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে জয়ের জন্য টার্গেট দাঁড়িয়েছে ৮৩ রান। পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন কেমার রোচ।