তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, হাই-টেক পার্ক চালু হলে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। চাকরির জন্য ঢাকা কিংবা বিদেশমুখী হতে হবে না। তিনি বলেন, ময়মনসিংহের ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ শুধু নয় কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ময়মনসিংহ জেলা সদর, সিটি করপোরেশন ও বিভাগের যতগুলো বিশ্ববিদ্যালয় আছে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলার উপযোগী অগ্রসরমান প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বিশেষায়িত ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে। এছাড়াও দেশের ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব নির্মাণ করা হবে। এর ফলে বাংলাদেশ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞাননির্ভর ও উন্নত অর্থনীতির স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
বুধবার (২২ জুন) দুপুরে নগরীর রহমতপুর কিসমত এলাকায় আইটি পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্হাপনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সভাপতিত্বে টাউন হল অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য বেগম মনিরা সুলতানা মনি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, বিভাগীয় কমিশনার শফিকুর রেজা বিশ্বাস, ভারপ্রাপ্ত ডিআইজি শাহ আবিদ হোসেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আহমার উজ্জামান, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলমসহ আইসিটি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
ভারত সরকারের অর্থায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অধীনে জেলা পর্যায়ে আইটি হাইটেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পের আওতায় সাত একর জমির ওপর ১৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ময়মনসিংহে হাই-টেক পার্কটি নির্মিত হচ্ছে। ১৫ হাজার বর্গফুটের প্রতি তলা বিশিষ্ট সাত তলা ভবন এবং সিনেপ্লেক্স থাকবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে পার্কের নির্মাণকাজ শেষ হবে। পার্কটি চালু হলে প্রতি বছর ১ হাজার তরুণ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। তাদের সহযোগীসহ ৩ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।