হাতিয়ায় ১৯ মণ মাছসহ চারটি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৪টি মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করেছে কোস্টগার্ড। এসব ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করে মোকামে যাওয়ার সময় জব্দ করা হয়। মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে জব্দ করা ট্রলারগুলোকে জরিমানা করে মাছ নিলামে বিক্রি করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

এর আগে সোমবার (২৭ জুন) বিকালে মাছ ধরা এসব ট্রলার হাতিয়ার নলচিরা ঘাটের উত্তর পাশে মেঘনা থেকে আটক করা হয়। এসব ট্রলারের মালিক ভোলার মনপুরা, লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের। 

পরে জব্দ করা ট্রলার প্রতি ১০ হাজার টাকা করে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ট্রলারে থাকা ১৯ মণ ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ নিলামে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়। জব্দ করা চারটি ট্রলারে থাকা ৭৯ জন মাঝি মাল্লাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অনিল চন্দ্র দাস ও কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারা। 

হাতিয়া কোস্টগার্ড জানায়, গোপণ সংবাদের ভিত্তিতে নিশ্চিত মেঘনা নদীতে অভিযান করে কোস্টগার্ড। এসময় সাগর থেকে মাছ ধরে মোকামে যাওয়ার পথে চারটি ট্রলারকে থামানো হয়। পরে ট্রলারগুলো তল্লাশি করে সামুদ্রিক মাছ পাওয়ায় আটক করে তমরদ্দি কোস্টগার্ড ক্যাস্পে নিয়ে আসা হয়।

এব্যাপারে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন বলেন, ‘সমুদ্রে মৎস্য প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই সমুদ্রে সব ধরনের মাছ শিকার বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়। এই লক্ষ্যে সমুদ্রে অভিযান করছে কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ ও সরকারের একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসময় আইন অমান্য করে সমুদ্রে মাছ শিকারে যাওয়া মাছ ধরা ট্রলার ও জেলেদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হয়।’