ছিটকে গেলেন মারে-রাদুকানু

দুই জনই ব্রিটিশ। আর গ্র্যান্ড স্ল্যামের নাম যখন উইম্বলডন, তখন তাদের প্রত্যাশার সীমা তুঙ্গে থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ঘরের কোর্টে একই দিনে স্বাগতিক দর্শকদের হতাশ করলেন অ্যান্ডি মারে ও এমা রাদুকানু। আসর থেকে ছিটকে গেলেন মাত্র দ্বিতীয় রাউন্ডেই।

নারী এককে গত বছর ইউএস ওপেন তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন রাদুকানু। এরপরই যেকোনো টেনিস টুর্নামেন্টে ব্রিটিশ মিডিয়ার জন্য আলোচনার হট টপিক তিনি। চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে দ্রুত বিদায় নিলেও উইম্বলডন নিয়ে বড় আশা ছিল ব্রিটিশদের। কিন্তু রাদুকানুর জাদুর ছোয়া যেন সেই ইউএস ওপেনেই ফুরিয়ে গেছে। ফ্রান্সের ক্যারোলিনা গার্সিয়ার কাছে ৬-৩, ৬-৩ গেমের সরাসরি সেটে হেরে বসেন ১৯ বছর বয়সী। গার্সিয়ার আক্রমণাত্মক মন্ত্রের কাছে ঠিক মতো দাঁড়াতেও পারেননি।

তবে এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে শোধরাতে চান রাদুকানু, ‘অবশ্যই এই হার আমাকে আরো ভালো খেলোয়াড়ে পরিণত করবে। কারণ তারা শুধু আমার সবগুলো দুর্বলতাকে সামনে আনছে। তরুণ বয়সে সেসব শিক্ষা নেওয়াটা আমার জন্য অসাধারণ কিছু।’

দুই বারের চ্যাম্পিয়ন অ্যান্ডি মারে উইম্বলডনে বরাবরই ফেভারিট। কিন্তু ইনজুরির কারণে তার দ্যুতিগুলো এখন অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন ইসনারের বিপক্ষে লড়াই করেছেন বটে, কিন্তু হার এড়াতে পারেননি। ৬-৪, ৭-৬ (৭-৪), ৬-৭ (৩-৭), ৬-৪ গেমে হেরে এই প্রথম উইম্বলডনে তৃতীয় রাউন্ডের আগেই ঝরে পড়তে হলো তাকে।

মারে-রাদুকানু না পারলেও ব্রিটিশদের আশা অবশ্য বাঁচিয়ে রেখেছেন ক্যামেরুন নরি। পাঁচ সেটের লড়াইয়ে হাউমে মুনারকে হারিয়ে তৃতীয় রাউন্ডে উঠেছেন তিনি। তাছাড়া সহজেই দ্বিতীয় রাউন্ড পাড়ি দিয়েছেন শীর্ষ বাছাই নোভাক জোকোভিচ, কার্লোস আলকারাজ। তবে হেরে গেছেন ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালিস্ট ও তৃতীয় বাছাই ক্যাসপার রুড।