সতীর্থদের ব্যর্থতায় জেতাতে পারলেন না সাকিব

দলীয় ৮ রানের সময় দুই ওপেনার লিটন দাস ও এনামুল হক বিজয়কে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর থেকেই একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করে যান সাকিব আল হাসান। কিন্তু সতীর্থদের ব্যর্থতায় বাংলাদেশকে জয় এনে দিতে পারেননি। ১৯৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানে থেমেছে সফরকারীদের ইনিংস। এতে ৩৬ রানের জয় পেয়েছে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন সাকিব। তার ইউলোতে ছিল ৩টি ছক্কা ও ৫টি চারের মার। কিন্তু একার এই লড়াই জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। শুরুতে অবশ্য নিজেও দেখেশুনে খেলেছেন, শেষ দিকে হাত খোলেন। সমর্থকরা এ নিয়ে আপসোস করতেই পারে। ইশ! যদি আরও আগে হাত খুলে মারতেন সাকিব। তাহলে হয়তো ম্যাচ জেতার একটা সম্ভাবনা ছিল।

দলীয় ২৩ রানেই বিদায় নেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দায়িত্ব নিয়ে খেলার বদলি উল্টো দলকে আরও বিপদে ফেলেন তিনি। করেন মাত্র ১১ রান। এরপর আফিফ হোসাইনকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন সাকিব। সঠিক পথেই এগোচ্ছিলেন তারা। স্কোর দাঁড়ায় ১০.১ ওভারে ৭৮। আফিফ ৩৪ রান করেন। ঠিক তখনই ঘটে বিপত্তি। রোমারিও শেফার্ডের বলে স্কুপ করতে গিয়ে কটবিহাইন্ডের শিকার হন আফিফ। এরপরই যেন জয়ের আশা ছেড়ে দেয় বাংলাদেশ।

পরে নুরুল হাসান সোহান ৭ ও মোসাদ্দেক হোসেন ১৫ রান করেন। কিন্তু তাদের কারো মধ্যেই জয়ের মানসিকতা চোখে পড়েনি। যেন ব্যাট করতে নেমেছেন কেবল নামতে হবে তাই! বল হাতে শেফার্ড ২টি, ওভেড ম্যাককয় ২টি এবং আকিল হোসাইন ও ওডেন স্মিথ একটি করে উইকেট শিকার করেন।