স্বাধীনতার ২৪৬তম বার্ষিকী উদযাপনে যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রতি বছর ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়। ১৭৭৬ সালের এই দিনে ১৩টি উপনিবেশের কন্টিনেন্টাল কংগ্রেস স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন করে। করোনার কারণে গত দুই বছর উদযাপন সীমিত হলেও এবার উৎসবে প্রাণ ফিরেছে। দিনটি উদযাপনে আতশবাজি, কুচকাওয়াজ, কনসার্ট বা কার্নিভালের আয়োজন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে পরিচিত স্ট্যাচু অব লিবার্টিকে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয়।
ভয়েস অব আমেরিকার এক খবরে বলা হয়েছে, সোমবার (যুক্তরাষ্ট্রের সময়) দুপুরের পর হোয়াইট হাউজের সাউথ লনে সেনা পরিবারের জন্য বারবিকিউ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। পরে তারা ন্যাশনাল মলে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আতশবাজির উৎসবে যোগ দেন।
টাইম ম্যাগাজিনের এক খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস এমন সময়ে এসেছে যখন দেশটিতে এক ধরনের উত্তাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গত বছরের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল ভবনে ট্রাম্প সমর্থকদের দাঙ্গা নিয়ে এখন কংগ্রেসের কমিটিতে শুনানি চলছে। মাত্র কয়েক দিন আগে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট নারীর গর্ভপাতের অধিকার বাতিল করেছে। প্রায়ই দেশটিতে বন্দুক হামলায় নিরীহ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে এবং জাতি হিসেবে মার্কিনিরা অভিন্ন বন্ধন টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করছে। তার পরও অনেক মার্কিনির কাছে দিবসটি উদযাপনের কারণ রয়েছে। তারা বলছেন, করোনা মহামারি দুর্বল হয়ে আসছে এবং রাজনৈতিক কলহের পরও যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র টিকে রয়েছে।
- বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানাবেন না পুতিন
ক্রেমলিন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসে দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে শুভেচ্ছা জানাবেন না রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মস্কোর বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের অবন্ধুসুলভ পদক্ষেপের জন্যই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।