পদ্মা সেতুর মাওয়া-জাজিরায় গাড়ির চাপ নেই, তবে ভাড়া বেশি

পদ্মা সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে গাড়ির চাপ নেই। অনেকটা স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখী মানুষ। তবে ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।  শনিবার (৯ জুলাই) এমন চিত্র দেখা গেছে। 

যাত্রীরা বলছেন, গাড়ির চাপ নেই। তবে ২০০ টাকার ভাড়া ৩০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। 

ছবি: ইত্তেফাক

শিবচরের যাত্রী আমিনুল ইসলাম মোশাররফ অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার বাড়ি পাচ্চরে। আমি ঈদের ১০দিন আগে আসছি। ভাড়া ছিল ২০০ টাকা। এখন ৩০০ টাকা। এটা জুলুম।’

ছবি: ইত্তেফাক

ঈদ যাত্রায় অন্যান্য বার মাওয়া ও জাজিরা ঘাটে বিড়ম্বনায় পড়লেও এবার বেশ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন মানুষ। পদ্মা সেতু হওয়ার পর এবার সহজে বাড়ি ফিরছেন দক্ষিণাঞ্চালের ২১ জেলার মানুষ। 

রাজধানীর গুলিস্তান থেকে বসুমতি পরিবহনে শিবচরের পাঁচ্চর যেতে সময় লেগেছে মাত্র ৪৫ মিনিট। আগে যেখানে পদ্মায় ফেরি পারাপারে সময় লাগতো ২ থেকে আড়াই ঘণ্টা।

পাঁচ্চরের যাত্রী কামাল হোসেনের অভিযোগ, তিনি গুলিস্তান থেকে যাবেন শিবচরের পাঁচ্চরে। কিন্তু তার কাছ থেকে ভাঙা, ফরিদপুরের ভাড়া রেখেছেন বসুমতি বাসে। তিনি বলেন, ‘আমার পাঁচ্চর বাসা থেকে ভাঙার দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। আমার ভাড়া কেন এত বেশি রাখবে? আমি কেন ভাঙার ভাড়া দেবো? প্রতিটি স্টপেজের জন্য আলাদা ভাড়া রাখতে হবে।’

ছবি: ইত্তেফাক

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির যাত্রী চুন্নু মিয়া বলেন, ‘পদ্মা সেতু চালুর আগে একদিন হাতে করে বাড়ি যেতাম। এবার মনে হচ্ছে আড়াই ঘণ্টার বেশি লাগবে না। তবে, ভাড়া ১০০ টাকা বেশি নিছে। কিন্তু ভোগান্তি নেই। এটা আনন্দের সংবাদ। কোনো গাড়ির চাপ নেই।’

বসুমতি বাসের কন্ট্রাক্টর রনি বলেন, ‘বেশি ভাড়া নেইনি। ঈদ উপলক্ষে কিছু টাকা বেশি চাইছি। টোল চার্জ অনেক। আমরা কী করবো। আসার সময় (ঢাকা ফিরার সময়) যাত্রী নেই।’