ওয়ানডে ফরম্যাটটা বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো বুঝে এবং খেলতে পারে। তবু টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে বাজেভাবে পরাজয়ের পর একটা শঙ্কা ছিল। তার ওপর দলের সেরা তারকা সাকিব আল হাসান ও অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম নেই। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে এখনো কোনো সমস্যা হয়নি।
আজ গায়ানায় বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হতে বিলম্ব হয়। পরে ওভার কেটে ৪১ ওভারে নিয়ে আসা হয়েছে। এতে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবাল। শুরু থেকেই বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট শিকারের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে স্বাগতিক ব্যাটারদের চেপে ধরেন। শেষ পর্যন্ত ৪১ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জয়ের জন্য টাইগারদের করতে হবে ১৫০ রান।
বোলারদের মধ্যে সবাই আজ বেশ কিপ্টে ছিলেন। সর্বোচ্চ ৪ উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ইসলাম। সুযোগ ছিল ক্যারিয়ারে প্রথমবার পাঁচ উইকেট নেওয়ারও। কিন্তু ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় সেটা সম্ভব হয়নি। স্বাগতিকদের নবম উইকেটের পতন ঘটে ১১০ রানে। শেষ উইকেটে এসেছে ৪৯ রান। এই সময়ে অন্তত ৪টি সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে তিনটি ক্যাচ ও একটি রানআউট। কিন্তু সেগুলো লুফে নিতে পারেননি ফিল্ডাররা। পারলে তাদের আরও অল্প রানে অলআউট করে দেওয়া যেত।
মেহেদী হাসান মিরাজ ৩টি ও মুস্তাফিজুর রহমান একটি উইকেট শিকার করেন। অন্যটি রানআউট। কোনো উইকেট না পেলেও ওয়ানডে অভিষেকে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন নাসুম আহমেদ। ৮ ওভার বোলিং করে ২.০০ ইকোনোমিতে মাত্র ১৬ রান খরচ করেন। মেডেন ওভার ৩টি। কিপ্টেমিতে দলের সেরা বোলার তিনিই।
ক্যারিবিয়ানদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেছেন শামরা ব্রুকস। সেটাও ৬৬ বল মোকাবিলা করে। এছাড়া ফিলিপ ২১, জাইডেন সিলস ১৬, নিকোলাস পুরান ১৮, রোমারিও শেফার্ড ১৬ ও কাইল মায়ার্স ১০ রান করেন। বাকিদের মধ্যে আর কেউ দুই অঙ্গের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি।