নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় বন্যার পানি কমে যাওয়ার পর থেকে পানিবাহিত রোগ ডায়রিয়া ও ঘরে ঘরে ভাইরাস জ্বর-সর্দির প্রকোপ ব্যাপক আকার ধারণ করছে। ঈদুল আজহার আগে থেকে শুরু হওয়া ডায়রিয়া ও ভাইরাস জ্বরে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন প্রতিদিন।
জ্বরে আক্রান্তরা জানান, হঠাৎ সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা, গলা ব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। এতে এক অসহনীয় অবস্থা চলতে থাকে। তারা আরও জানান, প্রায় প্রত্যেকের ঘরেই এখন ভাইরাস জ্বর ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগী রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সকালে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, ডায়রিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত অনেক রোগী ভর্তি আছেন। ভর্তিকৃত মঞ্জিলা, সিরাজ মিয়া, আবু বক্কর, নাছিমা ও আনোয়ারা জানান, তারা ডায়রিয়া ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন।
এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মাশরুফ ওয়াহিদ জানান, ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বরের এই ভাইরাসটি উপজেলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। তাছাড়া ডায়রিয়ার প্রকোপও ব্যাপক। প্রতিদিন ২০/৩০ জন ডায়রিয়া ও জ্বরের রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। গড়ে ৬০ শতাংশ জ্বর ও ৩৫ শতাংশ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষ।
তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, প্রচুর পানি, স্যালাইন ও তরল খাবার খেতে হবে। বাসি-পঁচা বা বাইরের খাবার বর্জন করতে হবে। জ্বরে আক্রান্তদের ৩ দিনের বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এন্টিবায়োটিক খেতে হবে।